অপরাধী যেই হোক তাকে শাস্তি পেতেই হবে: শেখ হাসিনা

অপরাধী যেই হোক তাকে শাস্তি পেতেই হবে: শেখ হাসিনা

ডেস্ক নিউজ:

ন্যায়বিচার ও মানবাধিকার নিশ্চিতে সরকার কাজ করছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ন্যায়বিচার নিশ্চিতে অপরাধী যেই হোক, তাকে শাস্তি পেতেই হবে। আমরা মানবাধিকার সংরক্ষণের পাশাপাশি জঙ্গি, সন্ত্রাসবাদ ও মাদকের বিরুদ্ধেও লড়াই করছি।

মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে জয়ের পর একটি বিধ্বস্ত দেশের মানুষের খাদ্য, চিকিৎসা, শিক্ষা নিশ্চিতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রাত-দিন কাজ করেছেন। এর সুফল পেতে শুরু করেছিল জাতি। তবে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পর দেশের মানুষ অধিকার বঞ্চিত হতে শুরু করে।

শেখ হাসিনা বলেন, ’৭৫-এর ১৫ আগস্ট একটি পরিবারের এতগুলো মানুষকে হত্যা করা হলো অথচ তার বিচার হলো না! ইনডেমনিটি (দায়মুক্তি) অধ্যাদেশ জারি করে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার বন্ধ করা হয়েছিল। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে একসময় যারা দম্ভ করে বলেছিল– এই হত্যার বিচার কেউ করতে পারবে না, তাদের রক্ষা করেছিল জিয়াউর রহমান। জিয়া শুধু খুনিদের রক্ষাই করেনি, তাদের বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দিয়ে পুরস্কৃত করেছে। জিয়া ও তার স্ত্রী খুনিদের রাষ্ট্রপতির পদে নির্বাচন করিয়েছে। ভোট চুরি করে তাদের বিরোধী দলের নেতার চেয়ারে বসানো হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘জিয়া ছিলেন বড় মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী। ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করার পর এ দেশের অনেক মানুষ তার স্বজন হত্যার বিচার পায়নি। যারা মুক্তিযুদ্ধ করে এ দেশ স্বাধীন করেছে, তাদের হত্যা করে রাজাকার, আলবদর, আলশামসদের রক্ষা করা হয়েছে।’

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, মিয়ানমারে তাদের ওপর যে বর্বর অত্যাচার চালানো হয়েছে, তা দেখে মুক্তিযুদ্ধের কথা মনে হয়েছে। আমরা তাদের আশ্রয় দিয়েছি। তাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে হবে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *