আরও উন্নয়নের জন্য শান্তি বজায় রাখা জরুরি: প্রধানমন্ত্রী

আরও উন্নয়নের জন্য শান্তি বজায় রাখা জরুরি: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের আরও উন্নয়নের জন্য শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। ফ্রান্সের বিমানবাহিনী প্রধান জেনারেল ফিলিপ লাভিন গতকাল রবিবার এক সৌজন্য সাক্ষাতে এলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা শান্তি চাই, যুদ্ধ চাই না। কেননা, এটা (শান্তি) উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন। আমরা দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে আরও অর্থ ব্যয় করতে চাই।”

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম গতকাল বিকালে ফ্রান্সের বিমানবাহিনী প্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় সংসদ ভবনস্থ কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা যুদ্ধ করি না, তবে আমরা প্রতিরক্ষা খাতে কর্মরতদের আরও প্রশিক্ষণ দিতে চাই।” শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে গ্রাজুয়েশন লাভ করেছে এবং আরও উন্নয়নের জন্য শান্তির প্রয়োজন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশ যখন স্বাধীনতা অর্জন করেছিলো তখন আমাদের দেশের ৮২ শতাংশ মানুষ দারিদ্র সীমার নিচে বসবাস করতো। এখন আমরা দারিদ্রের হারকে ২০ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছি।”

সন্ত্রাসবাদ প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, এটি একটি বৈশ্বিক সমস্যা। “আমরা এই সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে সচেতনতা সৃষ্টিতে সর্বস্তরের মানুষকে এর সঙ্গে সম্পৃক্ত করেছি।”

প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ফ্রান্সের সমর্থনের কথা স্মরণ করে বলেন, “তখন থেকেই দুই দেশের মধ্যে চমৎকার সম্পর্ক বিদ্যমান রয়েছে।”

প্রেস সচিব বলেন, জেনারেল ফিলিপ বলেছেন – ফ্রান্স এবং বাংলাদেশের বিমানবাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধিতে একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি জনগণের আর্থসামাজিক উন্নয়নের জন্য চলাচলের স্বাধীনতার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন। ফ্রান্সের বিমানবাহিনী প্রধান বিশ্বের সংঘাতপূর্ণ এলাকাগুলোতে শান্তি স্থাপনে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে কর্মরত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনের কথা উল্লেখ করে ফ্রান্সের বিমানবাহিনী প্রধান প্রধানমন্ত্রীকে বলেন, “জাতির পিতার স্মৃতিবিজড়িত ভবনে গিয়ে তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।” জেনারেল ফিলিপ তার সঙ্গে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী প্রধানের সাক্ষাতের কথাও উল্লেখ করেন।

সশস্ত্রবাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মাহফুজুর রহমান এবং পিএমও সচিব তোফাজ্জেল হোসেন মিয়া সেসময় উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *