আস্থা সঞ্চয়পত্রে, বিনিয়োগের উত্তম জায়গা ডাকঘর

আস্থা সঞ্চয়পত্রে, বিনিয়োগের উত্তম জায়গা ডাকঘর

তাজা খবর:

আস্থার অপর নাম ‘সঞ্চয়পত্র’
কোটি কোটি টাকার মালিক যাঁরা শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়বেন, তাঁদের কথা আলাদা। কিন্তু যাঁরা ঝুঁকি নিতে চান না বা টাকাও বেশি নেই, অথবা কারখানা করার সাহস নেই, তাঁরা কী করবেন? খাটানোর নির্ভরযোগ্য কোনো জায়গা খুঁজে না পেলে কোথায় যাবেন তাঁরা? নিশ্চিতভাবেই এর উত্তর ‘সঞ্চয়পত্র’।

সরকারি চাকরি শেষে কেউ একজন পেনশন পেলেন ৭০ লাখ টাকা। আবার কেউ জমি বিক্রি করে নগদ পেলেন দেড় কোটি টাকা। এই টাকা বিনিয়োগ করা যায় সঞ্চয়পত্রে। কারণ, এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সুদ দেয়। সরকার যেটাকে সুদ হিসেবে বিবেচনা করছে, গ্রাহকদের জন্য তা কিন্তু মুনাফা। গত ১১ বছরে সরকার সঞ্চয়পত্রের সুদ দিয়েছে অন্তত ১ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা।

পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র, পরিবার সঞ্চয়পত্র, তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র এবং পেনশনার সঞ্চয়পত্র—এ চার সঞ্চয়পত্রই এখন সবচেয়ে জনপ্রিয়। যদিও সব সঞ্চয়পত্রে সবাই বিনিয়োগ করতে পারেন না। সবগুলোর সুদের হারও এক রকম নয়।

১৮ বছর ও তার চেয়ে বেশি বয়সের যেকোনো বাংলাদেশি নারী, যেকোনো বাংলাদেশি শারীরিক প্রতিবন্ধী নারী ও পুরুষ এবং ৬৫ বছর ও তার চেয়ে বেশি বয়সী বাংলাদেশি নারী ও পুরুষেরা শুধু একক নামে পরিবার সঞ্চয়পত্র কিনতে পারেন। ২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে ওয়েবসাইট থেকে ফরম ডাউনলোড করা ফরম পূরণ করেই সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করা যায়। আসল ও মুনাফার টাকা আর নগদে দেওয়া হচ্ছে না।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *