কমবে মূল্যস্ফীতি

কমবে মূল্যস্ফীতি

তাজা খবর:

উচ্চ মূল্যস্ফীতির লাগাম টানতে বাজারে অর্থের জোগান আরও কমাচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর অংশ হিসেবে নীতি সুদহার আরও এক দফা বাড়িয়ে চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের জন্য ‘সতর্ক ও সঙ্কুলানমুখী’ মুদ্রানীতি ঘোষণা করা হয়েছে। এ পরিবর্তনের ফলে একদিন মেয়াদি রেপোর (পুনঃক্রয় চুক্তি) সুদ হার সাত দশমিক ৭৫ শতাংশ থেকে ২৫ বেসিস পয়েন্ট বেড়ে আট শতাংশ হয়েছে। এর ফলে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ব্যাংকগুলো যে টাকা ধার করবে, তার সুদহার বাড়বে।

গতবারের মুদ্রানীতিতে নেওয়া মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হলেও আগের চেয়ে বৃদ্ধি পায়নি মন্তব্য করে গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার বুধবার নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণার সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আগামী জুনের মধ্যে মূল্যস্ফীতি ছয় শতাংশে নেমে না আসা পর্যন্ত সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি অব্যাহত থাকবে। এবারের মুদ্রানীতিতে চারটি বিষয় গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের সঙ্গে এই মুদ্রানীতি সামঞ্জস্যপূর্ণ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘোষিত এই মুদ্রানীতি দেশের আর্থিক খাতকে পুনরুজ্জীবিত এবং প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে সহায়তা করবে বলে মনে করছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট খাতসমূহে প্রয়োজনীয় অর্থপ্রবাহ নিশ্চিত করা ও মূল্যস্ফীতি সহনীয় রাখতে এবং কঠোর আর্থিকখাত নিয়ন্ত্রণের নীতিকে স্বাগত জানিয়েছে সংস্থাটি।
বুধবার বিকেলে বাংলাদেশ ব্যাংকে এ সংবাদ সম্মেলনে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের মুদ্রানীতির একটি খসড়া পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন আকারে উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. হাবিবুর রহমান। এবার বিশেষ রেপো সুদহারে (স্ট্যান্ডিং লেন্ডিং ফ্যাসিলিটি-এসএলএফ) নীতি সুদহার করিডোরের ঊর্ধ্বসীমা ২৫ বেসিস পয়েন্ট কমিয়ে ৯ দশমিক ৫০ শতাংশ করা হয়েছে, বর্তমানে তা ৯ দশমিক ৭৫ শতাংশ। এ ব্যবস্থায় সংকটে পড়া ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে টাকা ধার করতে কিছুটা ব্যয় কমবে।

এ ছাড়া সুদহার করিডরের নিম্নসীমা রিভার্স রেপো সুদহার (স্ট্যান্ডিং ডিপোজিট ফ্যাসিলিটি-এসডিএফ) বিদ্যমান পাঁচ দশমিক ৭৫ শতাংশ থেকে ৭৫ বেসিস পয়েন্ট বাড়িয়ে সাড়ে ছয় শতাংশ করা হয়েছে। বাজারে উদ্বৃত্ত টাকা থাকলে বাংলাদেশ ব্যাংক রিভার্স রেপোর মাধ্যমে টাকা তুলে নেয়। নীতি সুদহারের ঊর্ধ্বসীমা ও নি¤œসীমার মধ্যে ব্যবধান ২০০ শতাংশ পয়েন্ট থেকে কমিয়ে ১৫০ শতাংশ পয়েন্টে নামিয়ে আনা হয়েছে। অর্থাৎ নীতি সুদহার আট শতাংশের সঙ্গে সর্বোচ্চ ১৫০ বেসিস পয়েন্ট যোগ করে এসএলএফ সুদহার ও নিচে ১৫০ বেসিস পয়েন্ট বিয়োগ করে এসডিএফ সুদহার নির্ধারণ করা হবে।

তারল্যের প্রয়োজনে বাণিজ্যিক ব্যাংক যখন কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ধার করে, তখন তার সুদহার ঠিক হয় রেপোর মাধ্যমে। আর রিভার্স রেপোর মাধ্যমে বাংকগুলো তাদের উদ্বৃত্ত অর্থ কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে যে সুদ হারে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ দেয়, তাকে বলে ব্যাংক রেট। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, চাহিদাজনিত মূল্যস্ফীতির চাপ প্রশমন, বিনিময় হারের চাপ নিয়ন্ত্রণ, সরকারের কাক্সিক্ষত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে প্রয়াজনীয় অর্থের সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী খাতে ঋণ সরবরাহ নিশ্চিত করার বিষয়ে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে মুদ্রানীতিতে। তবে চার শতাংশের ব্যাংক রেটে পরিবর্তন আনা হয়নি।
জানুয়ারি-জুন সময়ের ঘোষিত মুদ্রানীতিতে দেখা যাচ্ছে, ২০২৪ সালের জুন মাসে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবাহ বৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ শতাংশ। একই সময়ের জন্য সরকারি খাতের ঋণপ্রবাহ বৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২৭ দশমিক ৮ শতাংশ। গত ডিসেম্বরে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১০ দশমিক ২ শতাংশ; সরকারি খাতে ছিল ১৮ শতাংশ। নতুন মুদ্রানীতিতে বিদেশী মুদ্রার বিনিময় হার নির্ধারণে ‘ক্রলিং পেগ’ পদ্ধতি ব্যবহারের চিন্তা করা হচ্ছে বলে জানানো হয়।

তবে এ পদ্ধতিতে ডলারের বিনিময় হার কত হবে, তা বলা হয়নি। পরে তা জানানো হবে বলে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়। মুদ্রানীতি ঘোষণার পর গভর্নর বলেন, মূল্যস্ফীতি ছয় শতাংশে নেমে না আসা পর্যন্ত সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি অব্যাহত থাকবে। এবারের মুদ্রানীতিতে চারটি বিষয় গুরুত্ব দিয়ে মনিটরিং পলিসি করা হয়েছে। সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের সঙ্গে এই মুদ্রানীতি সামঞ্জস্যপূর্ণ। এ ছাড়া মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে প্রবৃদ্ধি এক শতাংশ কমলে অসুবিধা নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জানুয়ারি-জুন সময়ের জন্য সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি ঘোষণা করে গভর্নর দাবি করেছেন, আমদানিতে ডলারের দাম ১১০ টাকায় রাখা গেছে যা বিশ্বের অনেক দেশের তুলনায় এখনো কম, এ সময়ে আমদানি কমেছে, রপ্তানি ও প্রবাসী আয় বৃদ্ধির উদ্যোগ ছিল ফলে রিজার্ভ ২৫ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলারে রাখা গেছে। দেশে ডলারের দাম নিয়ন্ত্রণে ক্রলিং পেগ পদ্ধতিতে দাম নির্ধারণ করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, এক অর্থবছরেই ১৮ বিলিয়ন ডলার কমেছে অবকাঠামো উন্নয়নে।

এক বছরে এতটা ব্যয়ের জন্যই রিজার্ভ সংকট সৃষ্টি হয়েছে। গত তিন বছরে বাংলাদেশ ব্যাংক বাজারে ২৮ বিলিয়ন ডলার বিক্রি করেছে। তবে সে অনুযায়ী ডলার আসছে না। ব্যাংকগুলো প্রয়োজনে ডলার কেনার কারণে নগদ সংকটে পড়েছে। এটাও সমাধান হয়ে যাবে।
নিজের কাজে কোনো ধরনের চাপ অনুভব করছেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে আব্দুর রউফ তালুকদার বলেন, আমি কাউকে ভয় পাই না, স্বেচ্ছায় অর্থ সচিবের চাকরি ছেড়ে চুক্তিতে গভর্নরের দায়িত্ব নিয়েছি, কাজেই কোনো চাপ বা অন্য কিছুর ভয় দেখিয়ে আমাদের দিয়ে কিছু করিয়ে নেওয়া যাবে না। পাঁচ ইসলামি ব্যাংকের তারল্য সংকট নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে গভর্নর বলেন, ইসলামি ব্যাংকগুলোর কাঠামোগত কারণে তারল্য সংকট হয়েছে। তাদের সুকুক বন্ড রয়েছে টোটাল ইসলামি ব্যাংকের দুই শতাংশ।

অন্য ব্যাংকগুলোরও তারল্য সংকট ছিল তবে তাদের বন্ডে বিনিয়োগ থাকায় টাকা সরবরাহ করা গেছে। বাংলাদেশে কোনো ব্যাংক বন্ধের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ৫২ বছরে দেশে কোনো ব্যাংক বন্ধ হয়নি, আগামীতেও হবে না। তবে দুর্বল ব্যাংক চিহ্নিত করে একীভূত করার পরিকল্পনা আছে। ব্যাংকিং খাতে গ্রাহকদের আস্থার কোনো সংকট নেই বলে এ সময় মন্তব্য করেন গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর কাজী ছাইদুর রহমান, একেএম সাজেদুর রহমান খান, আবু ফরাহ মো. নাছের ও নুরুন নাহার, নির্বাহী পরিচালক খোরশেদ আলম সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখবে সংকোচনমুখী মুদ্রানীতি ॥ বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জানুয়ারি-জুন ২০২৪ মাসের জন্য ঘোষিত মুদ্রানীতি দেশের আর্থিকখাতকে পুনরুজ্জীবিত এবং প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে সহায়তা করবে বলে জানিয়েছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি।

একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট খাতসমূহে প্রয়োজনীয় অর্থপ্রবাহ নিশ্চিত করা ও মূল্যস্ফীতি সহনীয় রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গৃহীত কঠোর আর্থিকখাত নিয়ন্ত্রণের নীতিকে স্বাগত জানিয়েছে সংস্থাটি। বাজারভিত্তিক বিনিময় হার ব্যবস্থা নিশ্চিতকল্পে মুদ্রানীতিতে ‘ক্রগিং পেগ’ পদ্ধতি অনুসরণের উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে ডিসিসিআই। ঘোষিত মুদ্রানীতিতে নীতি সুদহার (রেপোরেট) ২৫ বেসিস পয়েন্ট বাড়িয়ে ৮% উন্নীত করে বাজারে মুদ্রা প্রবাহ হ্রাস করে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনার এ উদ্যোগ কার্যকর হবে বলে ঢাকা চেম্বার সভাপতি আশা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, আমাদের সামষ্টিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা আনয়নে এ নীতি সুনির্দিষ্ট প্রভাব রাখবে, তা ছাড়া অন্যান্য প্রি-ফাইন্যান্সিং ও রি-ফাইন্যান্সিং স্কিমের মাধ্যমে সিএমএসএমই খাতকে সহায়তার উদ্যোগকে স্বাগত জানান সংগঠনের সভাপতি আশরাফ আহমেদ।
সর্বশেষ ঘোষিত মুদ্রানীতিতে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ‘স্মার্ট’-এর ওপর ভিত্তি করে ঋণের সুদ হার নির্ধারণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছিল, তবে সেটি খুব বেশি কার্যকর হয়েছে বলে পরিলক্ষিত হয়নি, কারণ গত ডিসেম্বরে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯.৫%, যা সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রা ৭.৫%-এর চেয়ে বেশি। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও বিনিময় হারে স্থিতিশীলতা আনয়নে ঘোষিত মুদ্রানীতিতে গৃহীত উদ্যোগের সুফল পাওয়া যাবে বলে বিশ^াস করেন, ঢাকা চেম্বার সভাপতি আশরাফ আহমেদ।

জানুয়ারি-জুন ২০২৪ মেয়াদে সরকারিখাতে ঋণপ্রবাহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২৭.৮%, যদিও জুলাই-ডিসেম্বর ২০২৩ মেয়াদে ৩৭.৯% লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও বাস্তবে অর্জিত হয়েছিল মাত্র ১৮%। অপরদিকে জানুয়ারি-জুন ২০২৪ মেয়াদে বেসরকারিখাতে ঋণপ্রবাহের লক্ষ্যমাত্রা ১০% নির্ধারণ করা হয়েছে, সেখানে জুলাই-ডিসেম্বর ২০২৩ মেয়াদে ১০.৯% লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও বাস্তবে অর্জিত হয়েছিল মাত্র ১০.২%। এতে প্রতীয়মান হচ্ছে যে, ঘোষিত মুদ্রানীতিতে বেসরকারিখাতে ঋণপ্রবাহের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা, গত মেয়াদের অর্জিত মাত্রার চেয়ে কম নির্ধারণ করা হয়েছে, যদিও ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে দেশের বেসরকারিখাত ঋণপ্রবাহের লক্ষ্যমাত্রা আরও বেশি প্রত্যাশা করেছিল।
ঢাকা চেম্বার সভাপতি আশা প্রকাশ করেন, যথাযথ আর্থিক ঋণ কৌশল গ্রহণের মাধ্যমে বেসরকারিখাতে অধিক হারে ঋণপ্রবাহ নিশ্চিতকল্পে বাংলাদেশ ব্যাংক উদ্যোগ গ্রহণ করবে। সরকারিখাতে ঋণ হ্রাসের পাশাপাশি বেসরকারিখাতে ঋণ বৃদ্ধিকল্পে সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নে দক্ষতা বৃদ্ধি, সুশাসন ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ, সরকারি ব্যয়ে কৃচ্ছ্রতা সাধন এবং অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের ওপর জোরারোপ করেন।

মুদ্রা বিনিময় হারে স্থিতিশীলতা আনয়নে, ঢাকা চেম্বার সভাপতি মনে করেন যে, ‘ক্রগিং পেগ’ পদ্ধতি বাজারকে কিছুটা স্থিতিশীল রাখতে সক্ষম হবে, তবে এর জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করা অপরিহার্য। উপরন্তু বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ কমাতে রায়ার্স ক্রেডিট, ইউজেন্স এলসি, ডেফার্ড পেমেন্ট এবং এক্সপোর্ট ফ্যাক্টরিং প্রভৃতি বিষয় বিকল্প উদ্যোগ হিসেবে বিবেচনার দাবি করছে ডিসিসিআই। দেশে বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে তারল্য বৃদ্ধিকল্পে ‘এক্সপোর্টার রিটেনশন কোটা (ইআরকিউ)’ হার পূর্বের ১৫%, ৬০% এবং ৭০%-এর তুলনায় যথাক্রমে ৭.৫%, ৩০% এবং ৩৫% নামিয়ে আনা হয়েছে।

এ ছাড়াও পেমেন্টের ক্ষেত্রে রেগুলেটরি ক্যাপিটালের ৪০% অফশোর ব্যাংকিং অপারেশন্স হতে ধারের সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ডিসিসিআই সভাপতি মনে করেন, এ উদ্যোগ বিদ্যমান বৈদেশিক মুদ্রার পরিস্থিতিকে স্থিতিশীল করবে, যদিও সীমিত হস্তক্ষেপ এবং সুসংগঠিত নীতিকাঠামোর আওতায় বৈদেশিক মুদ্রার বাজারকে পরিচালিত হওয়ার সুযোগ দেওয়া প্রয়োজন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *