জঙ্গী অর্থায়নঃ ৫ দেশে তারেকের ১২টি একাউন্ট জব্দ

জঙ্গী অর্থায়নঃ ৫ দেশে তারেকের ১২টি একাউন্ট জব্দ

নিউজ ডেস্ক:

জঙ্গী অর্থায়নের অভিযোগে ৫ দেশে লন্ডনে পলাতক বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক জিয়ার ১২টি একাউন্ট জব্দ করা হয়েছে। এর আগে, সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগে লন্ডনেও তারেক জিয়ার একটি একাউন্ট স্থগিত করা হয়েছিলো।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, এফ.বি.আই (ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন)- এর তদন্তের ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে প্রমাণ হয়েছে যে, তারেক জিয়ার সাথে বিভিন্ন জঙ্গী সংঠনের সংস্রব রয়েছে এবং বিভিন্ন জঙ্গী সংগঠনে তিনি অর্থায়ন করেছেন। এই অভিযোগে দীর্ঘ তদন্তের পর এফবিআই ৫ টি দেশে তারেক জিয়ার ১২টি একাউন্ট জব্দ করার সুপারিশ করেছে।

যে ৫টি দেশ থেকে তারেক জিয়ার একাউন্ট জব্দ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সেগুলো হলো- লন্ডনের ২টি ব্যাংক একাউন্ট, দুবাইয়ে ২টি একাউন্ট, সৌদি আরবে ২টি একাউন্ট, সিঙ্গাপুরে ৪টি একাউন্ট এবং মালয়েশিয়ার ২ টি ব্যাংক একাউন্ট।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে যে, জঙ্গীদের সঙ্গে তারেক জিয়ার যোগাযোগের সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে। বাংলাদেশ ও ভারতের জঙ্গীদেরকে অর্থ দিয়ে দেশের ভেতর নাশকতা সৃষ্টি করা এবং অস্থিরতা তৈরি করার জন্য তারেক জিয়া জঙ্গীদের ব্যবহার করেন।

আবার বিএনপি যেন জঙ্গীদের পক্ষে থাকে, তাদের প্রতি সহানুভূতিশীল থাকে, বিশেষ করে বিএনপি যেন জামাত থেকে বেরিয়ে না যায় সেজন্য তারেক জিয়াকেও বিপুল অংকের টাকা দিয়েছে বিভিন্ন গোষ্ঠী। এফবিআই- এর তদন্তে পাওয়া গেছে, তারেক জিয়া যেমন জঙ্গীদের অর্থায়ন করছেন, তেমনি তারেক জিয়াকেও বিভিন্ন দেশের জঙ্গীরা অর্থ প্রদান করেছেন।

এফবিআই- এর তদন্তে তারেক জিয়াকে জঙ্গীদের এজেন্ট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। যার মাধ্যমে জঙ্গীরা বিভিন্ন দেশে টাকা-পয়সা লেনদেন করে। জানা গেছে যে, এটা অনেকটা হুন্ডি ব্যবসার মতো। সারা বিশ্বে তারেক জিয়ার জঙ্গী নেটওয়ার্ক আছে, সেই নেটওয়ার্কের লোকজনের কাছে টাকা পৌছানোর ক্ষেত্রে তারেক একটি ভালো মাধ্যম।

একইসঙ্গে এফবিআই বলছে যে, লন্ডনে তারেক জিয়া কীভাবে চলছেন, তার জীবনযাপন ইত্যাদিও রহস্যময়। কারণ গত ১২ বছরে তারেক জিয়ার কোন বৈধ আয় নাই। অথচ লন্ডনে তিনি দুটি বাড়ির মালিক, চারটি বিলাসবহুল গাড়ি আছে তার। লন্ডনে তিনি বিলাসবহুল জীবনযাপন করেন। এফবিআই ব্রিটিশ সরকারকে এ ব্যাপারে তদন্ত করার জন্য অনুরোধ করেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, এর আগেও লন্ডনে তারেকের একটি ব্যাংক সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগে তারেকের একাউন্ট স্থগিত করেছিলো। সেই স্থগিতাদেশ এখনো বহাল।

আর এখন এফবিআই এর অনুরোধে ৫টি দেশে তারেক জিয়ার যাবতীয় ব্যাংক একাউন্ট জব্দ করা হলো। তবে ধারণা করা হচ্ছে যে, এর বাইরেও তারেক জিয়ার অনেকগুলো ব্যাংক একাউন্ট আছে যার সবগুলোই বেনামী। বেনামী একাউন্ট গুলোর ব্যাপারে কারও কাছেই সঠিক কোন তথ্য নেই।

তাছাড়া তারেকের অনেক ঘনিষ্ঠ লোক আছে, যারা জঙ্গীগোষ্ঠীর সঙ্গে আর্থিক লেনদেনে জড়িত। তাদেরকে যদি চিহ্নিত করা না যায়, তাহলে এই অর্থায়ন প্রক্রিয়া বন্ধ হবে না।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *