জননেত্রীর জন্মদিন আজ

জননেত্রীর জন্মদিন আজ

তাজা খবর:

বঙ্গবন্ধুর যোগ্য উত্তসুরি আওয়ামী লীগ সভানেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ৭৩তম বছর পেরিয়ে ৭৪’এ পা দিয়েছেন। শুভ জন্মদিন আজ। গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় ১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর তার জন্ম। স্বাধীনতার স্থপতি শেখ মুজিবুর রহমান ও বেগম ফজিলাতুন নেছার জ্যেষ্ঠ সন্তান শেখ হাসিনা।

গ্রামের ধুলোমাটি আর সাধারণ মানুষের সঙ্গেই বেড়ে উঠেছেন আজকের প্রধানমন্ত্রী। আজও গ্রামের সঙ্গে তার নিবিড় সম্পর্ক। ছাত্রজীবন থেকে রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। এখন তিনি শুধু জাতীয় নেতাই নন, তৃতীয় বিশ্বের এক বিচক্ষণ নেতা হিসেবে বিশ্বরাজনীতির অঙ্গনে নিজ ভাবচ্ছবিতে উজ্জ্বল।

আইয়ুববিরোধী আন্দোলন এবং ছয় দফা আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন শেখ হাসিনা। পিতার অবর্তমানে ১৯৮১ সালে আওয়ামী লীগের দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে তাকে দলের সভানেত্রী নির্বাচিত করা হয়। ’৮১ সালের ১৭ মে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন তিনি। এরপর ১৬ বছর ধরে সামরিক জান্তা ও স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে চলে তার একটানা অকুতোভয় সংগ্রাম।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ এ পর্যন্ত চতুর্থ মেয়াদে ক্ষমতায়। ১৯৯৬ সালের ১২ জুনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিজয়ের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনা প্রথমবারের মতো দেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। ১/১১-এর পর শেখ হাসিনাকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য হাজির করা হয় ‘মাইনাস টু’ তত্ত্বের। ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে শেখ হাসিনাসহ রাজনৈতিক নেতাদের মুক্তি দিতে বাধ্য হয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার।

২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি দ্বিতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রীর হন। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এবং ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন শেখ হাসিনা।

১৯৯৬-২০০১ সালে তার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি ও গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি তার সরকারের অন্যতম সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। তৃতীয় মেয়াদেই ভারতের সঙ্গে ঐতিহাসিক স্থল সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়ন করেছেন। রাষ্ট্র পরিচালনায় দক্ষতার জন্য সারা বিশ্বের অনেক সম্মানজনক পদকে ভূষিত হয়েছেন বঙ্গবন্ধুর এই কন্যা।

সমুদ্র জয়ের পর বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করে মহাকাশও জয় করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মিয়ানমার সরকারের ভয়াবহ নির্যাতনে আশ্রয়হীন ১১ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা শরণার্থীকে বাংলাদেশে আশ্রয় দিয়ে নাড়িয়ে দিয়েছেন বিশ্বকে, বিশ্ববিবেককে। আজ দেশে দেশে তার নাম আলোচিত হচ্ছে ‘বিশ্ব মানবতার বিবেক’ হিসেবে। নিখাদ দেশপ্রেম, দূরদর্শিতা, দৃঢ়চেতা মানসিকতা ও মানবিক গুণাবলি তাকে আসীন করেছে বিশ্ব নেতৃত্বের আসনে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *