জমে উঠছে অনলাইন পশুর হাট, বিক্রি প্রায় দুই লাখ

জমে উঠছে অনলাইন পশুর হাট, বিক্রি প্রায় দুই লাখ

তাজা খবর:

করোনাভাইরাসের উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে অনলাইনে কুরবানির পশু কিনতে উৎসাহ দিচ্ছে প্রশাসন। ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে দেশে অনলাইনে ও ডিজিটাল পশুর হাট ইতোমধ্যে জমে উঠতে শুরু করেছে।

এরইমধ্যে দুই লাখের বেশি পশু অনলাইন ও ডিজিটাল হাটের মাধ্যমে বিক্রি হয়েছে বলে অনলাইন ও ডিজিটাল হাটের আয়োজকরা জানিয়েছেন।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর থেকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ২ জুলাই থেকে গত ১৩ জুলাই পর্যন্ত এক লাখ ৮৪ হাজার ৮৯৬টি পশু বিক্রি হয়েছে। এগুলোর মধ্যে গরু, ছাগল, ভেড়া, মহিষ রয়েছে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের উপপরিচালক জিনাত সুলতানা বিবিসিকে বলেন, গত সপ্তাহ খানেক সময়ের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পশু বিক্রি হয়েছে। এর আগে বিক্রি খুব বেশি ছিল না।

তিনি বলেন, এরইমধ্যে অভাবনীয় সাড়া পেয়েছি আমরা। গত বছরের তুলনায় এরইমধ্যে দ্বিগুণেরও বেশি পশু বিক্রি হয়ে গেছে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, কুরবানির পশুর মধ্যে কমপক্ষে ২০ শতাংশ পশু অনলাইনে বিক্রির নির্দেশনা রয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে।

গত ২ জুলাই থেকে জেলাভিত্তিক অ্যাপ, ফেসবুক পেজ ও বিভিন্ন অনলাইন সাইটের মাধ্যমে পশু বিক্রি শুরুর উদ্যোগ নেয় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর। আর ৪ জুলাই ডিজিটাল হাট নামে আরেকটি প্ল্যাটফর্মও উদ্বোধন করা হয়।

প্রতিবছর বাংলাদেশে প্রায় এক কোটি ১৯ লাখের মতো পশু কুরবানি করা হয় বলে জানান জিনাত সুলতানা।

সেই লক্ষ্য পূরণেই গত বছর থেকে অনলাইনে পশু বিক্রি শুরু হয়। জেলাভিত্তিক অ্যাপ, ফেসবুক পেজ এবং সাইট মিলে মোট ১৭৭৮টি অনলাইন মাধ্যমে পশু বিক্রি হচ্ছে।

তিনি জানান, এ পর্যন্ত ১২ লাখ ৩৯ হাজার ৫শ ৮৯টি পশুর ছবি আপলোড করা হয়। এর মধ্যে এক লাখ ৮৪ হাজারের বেশি বিক্রি হয়েছে।

সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সাথে মিলে পশু বিক্রির জন্য ডিজিটাল হাটের উদ্যোগে রয়েছে ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ ডেইরি ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশন।

এই ডিজিটাল হাটে এ বছর ক্রেতাদের বেশ ভালো সাড়া পাওয়ার কথা জানিয়েছে এই দুই প্রতিষ্ঠান। গত বছরও ডিজিটাল পশুর হাটের আয়োজন করা হয়েছিল। আর এবছর ৪ জুলাই থেকে ডিজিটাল পশুর হাট চলছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *