জাবিতে এমএইচ হলের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত। তাজা খবর

জাবিতে এমএইচ হলের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত। তাজা খবর

জাবি প্রতিনিধিঃ

‘এসো প্রাণে প্রাণ মেলাই’ স্লোগানকে সামনে রেখে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) মীর মশাররফ হোসেন হলের প্রথম পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। সর্ব বৃহৎ এ আবাসিক হলের ১ম ব্যাচ থেকে ৪৮ তম ব্যাচ পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা পুনর্মিলনীতে অংশগ্রহণ করে।

শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে দশটায় মীর মশাররফ হোসেন হল চত্ত্বরে জাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী ভাষণে তিনি বলেন, ‘ পুনর্মিলনীর মাধ্যমে নতুন করে বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের জানা ও বোঝার দ্বার উন্মোচিত হয়। একইসাথে বিশ্ববিদ্যালয়কে ঘিরে বর্তমান ও প্রাক্তনদের রোমাঞ্চিত স্মৃতি-বিস্মৃতি গাঁথা সামনে চলে আসবে।’

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হলের প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শরীফ এনামুল কবির বলেন, ‘হলকে ঘিরে সাবেক- বর্তমান প্রত্যেক শিক্ষার্থীর অনেক স্মৃতি জড়িয়ে আছে। কত বন্ধুত্ব, কত স্বপ্ন, কত কথা জড়িয়ে আছে এই হলকে ঘিরে তা বলে শেষ করা যাবে না।’

উৎসবের আহবায়ক মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আলাউদ্দিন-এর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন হলের প্রথম প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মেসবাহউদ্দিন আহমেদ, প্রাক্তন প্রভোস্ট এবং প্রাক্তন প্রো-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমামউদ্দিন, প্রাক্তন প্রভোস্ট এবং কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য অধ্যাপক ড. আমির হোসেন খান প্রমুখ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন উৎসবের সদস্য সচিব ও সিরাজগঞ্জ অর্থনৈতিক জোনের নির্বাহী পরিচালক শেখ মনোয়ার হোসেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো.আমির হোসেন, প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মো.নূরুল আলম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক শেখ মো. মনজুরুল হক, হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. ওবায়দুর রহমান, হলের প্রায় তিন হাজার বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পর হলের সামনে থেকে একটি আনন্দ র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। দিনব্যাপী এ উৎসবের মধ্যে ছিল- পিঠা উৎসব, স্মৃতিচারণা, র‌্যাফেল ড্র, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং সেলিম আল দীন মুক্তমঞ্চে কনসার্ট।

প্রসঙ্গত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯৭৩ সালে সর্ব বৃহৎ আবাসিক হল হিসেবে নির্মিত হয় মীর মশাররফ হোসেন হল। দীর্ঘ ৪৮ বছর পর অনুষ্ঠিত হলো ১ম প্রথম পুনর্মিলনী।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *