টানা চতুর্থবার প্রধানমন্ত্রী

টানা চতুর্থবার প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন শেখ হাসিনা

তাজা খবর:

বিশ্বের বুকে রেকর্ড গড়ে টানা চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। টানা চতুর্থবারসহ পঞ্চমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলে একমাত্র বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাই বিশ্বের গণতান্ত্রিক দেশের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী সরকার প্রধানের রেকর্ড গড়বেন। শুধু দীর্ঘস্থায়ী প্রধানমন্ত্রীই নন, জাতীয় সংসদের বিরোধী দলের নেতা হিসেবেও দেশের ইতিহাসে বেশি সময় দায়িত্ব পালনের রেকর্ডও রয়েছে আওয়ামী লীগ সভাপতির ঝুলিতে। এ ছাড়া টানা প্রায় ৪৩ বছর বছর ধরে দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালনের দৃষ্টান্ত দেশের ইতিহাসে আর কারও নেই।

শত প্রতিকূলতা ও দেশী-বিদেশী সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে রবিবার অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ টানা চতুর্থবারের মতো ভূমিধস বিজয় অর্জনের পর দলটির প্রধান শেখ হাসিনার সামনে এতোবড় রেকর্ড গড়ার পথ সুগম হয়েছে। টানা চারসহ পাঁচবার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব থাকার এমন দৃষ্টান্ত শুধু দেশেই নয়, বিশ্বের কোনো গণতান্ত্রিক দেশেও খুব বেশি নেই। আগামী ১০ জানুয়ারি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দিনে টানা চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেখ হাসিনা শপথ নিতে পারেন বলে একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রে আভাস পাওয়া গেছে।

টানা চতুর্থবারের মতো আওয়ামী লীগ আবারও একক সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন নিয়ে বিজয়ী হচ্ছে, এটা অনেকটাই নিশ্চিত ছিল। তবে নির্বাচনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল ভোট কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি নিশ্চিত করা। কেননা ভোট বর্জন করে নির্বাচন বানচালের চেষ্টায় থাকা বিএনপি-জামায়াতসহ তাদের মিত্ররা যাত্রীবাহী ট্রেনে, বাসে আগুন দিয়ে মানুষ হত্যা, দেশের বিভিন্নস্থানে নাশকতা চালিয়ে ভোটারদের মধ্যে এক ধরনের আতঙ্ক ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু সকল ষড়যন্ত্র সফলভাবে মোকাবিলা করে নেতৃত্ব দিয়ে তার দল আওয়ামী লীগকে আবারও বিপুল ভোটে বিজয়ী করে ক্ষমতায় আনতে সক্ষম হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এখন দেশবাসীর অপেক্ষা কেমন মন্ত্রিসভা নিয়ে টানা চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন বঙ্গবন্ধুর এই জ্যেষ্ঠ কন্যা।

এক নজরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ॥ একের পর সামরিক ক্যু-পাল্টা ক্যু, সামরিক আইন জারি করে পরে দল গঠন করে সরকার গঠন করা জিয়া-এরশাদের শাসনের অবসানের পর দীর্ঘ ২১ বছর পর রাজপথে লড়াই-সংগ্রাম করে ১৯৯৬ সালের ২৩ জুন প্রথমবারের মতো শপথ নিয়ে পাঁচ বছর নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন শেখ হাসিনা। তাঁর এই মেয়াদকে দেশের ইতিহাসে উন্নয়নের স্বর্ণযুগও বলা হয়। এরপর ২০০৮ সাল থেকে ২০১৪ থেকে ২০১৯ মেয়াদে টানা ১৫ বছরের জন্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বঙ্গবন্ধুর এই কন্যা। আর দ্বাদশ জাতীয় সংসদ সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের পর টানা চতুর্থ মেয়াদসহ পঞ্চমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে যাচ্ছেন শেখ হাসিনা। বাংলাদেশে পরপর চারবার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার এবং পাঁচবার প্রধানমন্ত্রী থাকার নজির আর কারও নেই।

শুধু প্রধানমন্ত্রী হিসেবেই নয়, বাংলাদেশ তিনটি জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের নেতা হওয়ার রেকর্ডও শেখ হাসিনার ঝুলিতে। ১৯৮৬ সালে তৃতীয় সংসদে, ১৯৯১ সালে পঞ্চম এবং ২০০১ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বড় মেয়ে শেখ হাসিনা ১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। কাছ থেকে দেখেছেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধুর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনকে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু সপরিবারে নিহত হন। সেসময় শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহানা বিদেশে থাকায় প্রাণে বেঁচে যান। এরপর ছয় বছর নির্বাসিত জীবন শেষে ১৯৮১ সালে ১৭ মে আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবেই দেশে ফেরেন।

এরপর শুরু হয় তার সামরিক শাসনবিরোধী গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার লড়াই। দীর্ঘ ২১ বছর লড়াই-সংগ্রাম করে ১৯৯৬ সালের সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে ওই বছরের ২৩ জুন প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন শেখ হাসিনা। এরপর ২০০১ সালের দেশের গ্যাস বিক্রি করতে রাজি না হওয়ায় অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয়-আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রে ক্ষমতায় আসতে দেওয়া হয়নি। বিএনপি-জামায়াতের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে এবং সামরিক সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সকল চক্রান্ত ভেদ করে আবারও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে জয়ের বন্দরে নিয়ে আনেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা।

এরপর ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত নবম সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটের বিজয়ের পর ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি দ্বিতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন শেখ হাসিনা। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট আবারও নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে একই বছরের ১২ জানুয়ারি টানা দ্বিতীয় ও মোট তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন শেখ হাসিনা।

সর্বশেষ গত ৩০ ডিসেম্বরের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটের বিপুল বিজয়ের সোমবার চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন শেখ হাসিনা। সফলভাবে টানা ১৫ বছর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে বাংলাদেশের চিত্রই পাল্টে দেন। বাংলাদেশ এখন সত্যিকারের এক বদলে যাওয়া বাংলাদেশ। স্বপ্নের পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, বঙ্গবন্ধু কর্ণফুলী ট্যানেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ সকল মেগা প্রকল্পের দ্বার উদঘাটন করার মাধ্যমে দেশের জনগণ ১৫ বছর ধরেই দেখেছেন দেশের উন্নয়ন-সফলতা ও অগ্রগতির শেখ হাসিনার ম্যাজিক।

তবে রবিবার অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নানা ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে হয় বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে। রাজপথে বিএনপি-জামায়াতসহ তাদের মিত্রদের সরকারের উৎখাতের নানা চক্রান্ত-ষড়যন্ত্র, মার্কিন ভিসানীতি প্রয়োগ, আন্তর্জাতিক নানা চাপের মুখেও সংবিধান রক্ষায় অনড় ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাজনৈতিকভাবে ব্যর্থ হয়ে নির্বাচনে না এসে নির্বাচন ঠেকাতে অতীতের মতো অগ্নিসন্ত্রাস, ভয়াল নাশকতা ও গুপ্ত হামলার পথে যায় বিএনপি-জামায়াত জোট।

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে শেষ পর্যন্ত রবিবার অনুষ্ঠিত অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। নাশকতার আশঙ্কায় ভোটার কিছু কম হলেও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা অকপটে স্বীকার করেন, নির্বাচনটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়েছে। সবশেষ রাতে ভোট গণনা শেষে আওয়ামী লীগ আবারও ভূমিধস বিজয়ের বন্দরে পৌঁছায়। এখন টানা পঞ্চমবারের মতো দেশ পরিচালনার শপথ গ্রহণের অপেক্ষায় মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী দল আওয়ামী লীগ।

কণ্টকাকীর্ণ পথ অতিক্রম করে জয়ের রেকর্ড গড়েন শেখ হাসিনা ॥ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘ ৪৩ বছরের রাজনৈতিক জীবন মোটেই মসৃণ ছিল না, বরং ছিল কণ্টকাকীর্ণ। ১৯৮১ সালে দেশে ফিরে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে লিপ্ত হওয়ার পরপরই শেখ হাসিনা শাসকগোষ্ঠীর রোষানলে পড়েন। তাকে বারবার কারাগারে রাখা হয়। শেখ হাসিনাকে হত্যার জন্য কমপক্ষে ১৯ বার সশস্ত্র হামলা করা হয়। ১৯৮৩ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি সামরিক সরকার তাকে আটক করে ১৫ দিন কারাগারে রাখে। ১৯৮৪ সালের ফেব্রুয়ারি এবং নভেম্বর মাসে তাকে দু’বার গৃহবন্দি করা হয়। ১৯৮৫ সালের ২ মার্চ তাকে আটক করে প্রায় ৩ মাস গৃহবন্দি করে রাখা হয়। ১৯৮৬ সালের ১৫ অক্টোবর থেকে তিনি ১৫ দিন গৃহবন্দি ছিলেন। ১৯৮৭ সালের ১১ নভেম্বর তাকে গ্রেপ্তার করে এক মাস কারাগারে রাখা হয়।

১৯৮৯ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি শেখ হাসিনা গ্রেপ্তার হয়ে গৃহবন্দি হন। ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর শেখ হাসিনাকে বঙ্গবন্ধু ভবনে গৃহবন্দি করে রাখা হয়। শুধু এখানেই শেষ নয়, ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই সামরিক বাহিনী সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তার করে সংসদ ভবন চত্বরে সাব জেলে পাঠায়। প্রায় ১ বছর পর ২০০৮ সালের ১১ জুন তিনি মুক্তিলাভ করেন।

এছাড়া দীর্ঘ ৪৩ বছরের রাজনৈতিক জীবনে অন্তত ১৯ বার তার প্রাণনাশের চেষ্টা চালানো হয়। এর মধ্যে ২১ আগস্ট ভয়াল গ্রেনেড হামলাও রয়েছে। শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশে উল্লেখযোগ্য হামলাগুলোর মধ্যে রয়েছে, ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর সচিবালয় ঘেরাও কর্মসূচি পালনকালে তাকে লক্ষ্য করে পুলিশের গুলিবর্ষণ। এতে যুবলীগ নেতা নূর হোসেন, বাবুল ও ফাত্তাহ নিহত হন। জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে তাকেসহ তার গাড়ি ক্রেন দিয়ে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। ১৯৮৮ সালের ২৪ জানুয়ারি চট্টগ্রাম কোর্ট বিল্ডিংয়ের সামনে শেখ হাসিনাকে লক্ষ্য করে এরশাদ সরকারের পুলিশ বাহিনী লাঠিচার্জ ও গুলিবর্ষণ করে। এ ঘটনায় শেখ হাসিনা অক্ষত থাকলেও ৩০ জন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী শহীদ হন। লালদীঘি ময়দানে ভাষণদানকালে তাকে লক্ষ্য করে দুইবার গুলি করা হয়। জনসভা শেষে ফেরার পথে আবারও তার গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি করা হয়।

১৯৯১ সালে বিএনপি সরকার গঠনের পর শেখ হাসিনাকে হত্যার জন্য বারবার হামলা করা হয়। ১৯৯১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদের উপ-নির্বাচন চলাকালে তাকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করা হয়। ১৯৯৪ সালে ঈশ্বরদী রেল স্টেশনে তার কামরা লক্ষ্য করে অবিরাম গুলিবর্ষণ করা হয়। ২০০০ সালে কোটালীপাড়ায় হেলিপ্যাডে এবং শেখ হাসিনার জনসভাস্থলে ৭৬ কেজি ও ৮৪ কেজি ওজনের দু’টি বোমা পুঁতে রাখা হয়। শেখ হাসিনা পৌঁছার পূর্বেই বোমাগুলো শনাক্ত হওয়ায় তিনি প্রাণে বেঁচে যান।

বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলা হয় ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট। ঐদিন বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে এক জনসভায় বক্তব্য শেষ করার পরপরই তাকে লক্ষ্য করে এক ডজনেরও বেশি আর্জেস গ্রেনেড ছোড়া হয়। লোমহর্ষক সেই হামলায় শেখ হাসিনা প্রাণে রক্ষা পেলেও আইভি রহমানসহ তার দলের ২২ নেতাকর্মী নিহত হন এবং পাঁচশ’র বেশি মানুষ আহত হন। শেখ হাসিনা নিজেও কানে আঘাত পান।

শত বাধা-বিপত্তি এবং হত্যার হুমকিসহ নানা প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে শেখ হাসিনা ভাত-ভোট এবং সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার আদায়ের জন্য অবিচল থেকে সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশের জনগণ অর্জন করেছে গণতন্ত্র ও বাক-স্বাধীনতা। বাংলাদেশ পেয়েছে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা। শেখ হাসিনার অপরিসীম আত্মত্যাগের ফলেই বাংলাদেশ আজ বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে সক্ষম হয়েছে।

শেখ হাসিনার শাসনামলে আর্থ-সামাজিক খাতে দেশ অভূতপূর্ব অগ্রগতি অর্জন করে। ডিজিটাল বাংলাদেশের পর এবার স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া নির্বাচনী ইশতেহার দেশের জনগণ মনেপ্রাণে গ্রহণ করে শেখ হাসিনাকে টানা চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী বানাতে তাঁর দলের নৌকার প্রার্থীদের সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বিজয়ী করেছেন। আগামী ১০ জানুয়ারি ঐতিহাসিক দিনে বিশ্বের বুকে রেকর্ড গড়ে পঞ্চমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে পারেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। তা দেখতেই এখন দেশবাসীর অধীর অপেক্ষা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *