টানা ২০ দিন পর করোনায় দৈনিক মৃত্যু ২০০ এর নিচে

টানা ২০ দিন পর করোনায় দৈনিক মৃত্যু ২০০ এর নিচে

তাজা খবর:

দেশে করোনার সংক্রমণে গত ২৪ ঘণ্টায় (গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে আজ শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) আরও ১৯৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৮ হাজার ৪৬৫ জন। এর আগে টানা ২০ দিন দৈনিক মৃত্যু ২ শতাধিক ছিল।

আজ বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দেশে করোনা সংক্রমণের সবশেষ পরিস্থিতি জানানো হয়। করোনায় মৃত্যু ও রোগী শনাক্ত আগের দিনের তুলনায় কমেছে। আগের দিন ২১৫ জনের মৃত্যু এবং ১০ হাজার ১২৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল।

গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ৪০ হাজার ৬৪১ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার ২০ দশমিক ৮৩ শতাংশ। আগের দিন পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার ছিল ২২ দশমিক ৪৬ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সব মিলিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত করোনায় সংক্রমিত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১৪ লাখ ৫ হাজার ৩৩৩। মোট মৃত্যু হয়েছে ২৩ হাজার ৮১০ জনের। আর করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১২ লাখ ৭৩ হাজার ৫২২ জন। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ১১ হাজার ৪৫৭ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি ৭৮ জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এরপর চট্টগ্রাম বিভাগে মারা গেছেন ৫৩ জন ও খুলনা বিভাগে ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। বাকিরা অন্যান্য বিভাগের।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম নতুন করোনাভাইরাসের সংক্রমণ দেখা দেয়। কয়েক মাসের মধ্যে এ ভাইরাস বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। বাংলাদেশে প্রথম করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয় গত বছরের ৮ মার্চ।

এরপর বিভিন্ন সময়ে সংক্রমণ কমবেশি হলেও দুই মাসের বেশি সময় ধরে দেশে করোনা পরিস্থিতি উদ্বেগজনক অবস্থায় পৌঁছেছে। করোনার ডেলটা ধরনের দাপটে দৈনিক সংক্রমণ ও মৃত্যু কয়েক গুণ বেড়েছে। গত জুলাই মাসে দেশে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৬ হাজার ১৮২ জনের। প্রায় দেড় বছর ধরে চলা এ মহামারিতে এর আগে কোনো মাসে এত মৃত্যু দেখেনি বাংলাদেশ। এর আগে বেশি মৃত্যু হয়েছিল গত এপ্রিলে ২ হাজার ৪০৪ জনের।

বর্তমানে সারা বিশ্বেই করোনার ডেলটা ধরনের দাপট চলছে। এরই মধ্যে বিশ্বের অন্তত ১৪২টি দেশ ও অঞ্চলে করোনার অতি সংক্রামক এ ধরন ছড়িয়েছে। ফলে বিশ্বজুড়েই করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যু বেড়েছে। গত বুধবার দেওয়া বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্বের যেসব দেশে এক দিনে সবচেয়ে বেশি রোগী শনাক্ত হচ্ছে, সেই তালিকায় বাংলাদেশে অবস্থান ১১তম।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *