টিকা কিনতে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ৪৩৩০ কোটি টাকার ঋণচুক্তি

টিকা কিনতে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ৪৩৩০ কোটি টাকার ঋণচুক্তি

তাজা খবর:

করোনাভাইরাসের আতঙ্কে আতঙ্কিত গোটা বিশ্ব এবং দিন যত যাচ্ছে করোনা তাণ্ডবের ইতিহাস তত দীর্ঘ হচ্ছে। ‘কোভিড-১৯ ইমার্জেন্সি রেসপন্স অ্যান্ড প্যানডেমিক প্রিপারেন্ডেন্স’ প্রকল্পের আওতায় অতিরিক্ত ঋণ সহায়তা হিসেবে ৫০ কোটি ডলার দিতে সম্মত হয়েছে বিশ্বব্যাংক। প্রতি ডলার সমান ৮৬ টাকা ধরে বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৪ হাজার ৩৩০ কোটি টাকা।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের মধ্যে একটি ঋণচুক্তি সই হয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন ও বিশ্বব্যাংকের পক্ষে বাংলাদেশ অফিসের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্বন চুক্তিতে সই করেন।

সোমবার (১২ এপিল) ইআরডি থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। প্রকল্পের আওতায় ইতোমধ্যেই ২০২০ সালের ১০ এপ্রিল ১০ কোটি ডলার ঋণ সহায়তা দিয়েছে সংস্থাটি। প্রকল্পের আওতায় এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংকের (এআইআইবি) কাছ থেকেও ১০ কোটি ডলার ঋণ পাওয়া গেছে। এর ধারাবাহিকতায় টিকা কেনার জন্য চলমান প্রকল্পের আওতায় অতিরিক্ত ঋণ দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। চলতি সময় থেকে ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে।

প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে টিকা কেনা ও সরবরাহ করা। এছাড়া কোভ্যাক্স থেকে অগ্রিম টিকা কেনার মাধ্যমে দেশের মোট জনসংখ্যার ৩১ শতাংশকে টিকা দেওয়া, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের ভ্যাকসিন টেস্টিং ল্যাব স্থাপনের মাধ্যমে সক্ষমতা বাড়ানো এবং টিকা সংরক্ষণ ও বিতরণে কোল্ড চেইন সিস্টেম অক্ষুণ্ণ রাখার মাধ্যমে টিকার গুণগত মান নিশ্চিত করা। বিশ্বব্যাংকের এই অতিরিক্ত অর্থায়নের ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাংকের অঙ্গভুক্ত প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (আইডিএ) তহবিলের রেগুলার টার্ম প্রযোজ্য হবে। ঋণটি ৫ বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ ৩০ বছরের পরিশোধযোগ্য এবং সুদের হার হবে ১ দশমিক ২৫ শতাংশ, সার্ভিস চার্জ হবে ০ দশমিক ৭৫ শতাংশ। অনুত্তোলিত অর্থের ওপর কমিটমেন্ট চার্জ হবে ০ দশমিক ৫০ শতাংশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *