প্রবাসীর স্ত্রীসহ চারজনকে হত্যার ঘটনায় ধর্ষণের আলামত

প্রবাসীর স্ত্রীসহ চারজনকে হত্যার ঘটনায় ধর্ষণের আলামত

তাজা খবর:

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটির আবদার গ্রামে প্রবাসীর স্ত্রী ও তিন সন্তানকে গলা কেটে হত্যার ঘটনার রহস্য উম্মোচিত শুরু করেছে পুলিশ।

মরদেহ উদ্ধার ও সুরতহাল করার সময় মা ও দুই মেয়ে অর্ধনগ্ন ছিল এবং প্রাথমিকভাবে ধর্ষণের আলামত পেয়েছে পুলিশ। ঘটনার পর স্থানীয় এমপি ইকবাল হোসেন সবুজ, গাজীপুরের এসপি শামসুন্নাহার পিপিএম, ঢাকার ক্রাইম সিন ইউনিট ও সিআইডি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

নিহতরা হলেন, মালয়েশিয়া প্রবাসী মো. কাজল মিয়ার স্ত্রী স্মৃতি আক্তার ওরফে ফাতেমা, বড় মেয়ে নুরা আক্তার ও হাজী আব্দুল কাদের একাডেমির দশম শ্রেণির ছাত্রী, ছোট মেয়ে শাওরিন আক্তার ও ব্রাইট স্কলার ক্যাডেট মাদরাসার ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী এবং সবার ছোট ছেলে ফাদিল আল সাদ(প্রতিবন্ধী)। সে আব্দুল করিম একাডেমির নার্সারি ক্লাসের শিক্ষার্থী ছিল।

কাজল মিয়ার জন্মস্থান ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও উপজেলার মশাখালি ইউপির নেউকা গ্রামের তালুকদার বাড়ি।

এসপি শামসুন্নাহার পিপিএম জানান, গত বুধবার রাতে খাবারের পর মধ্যরাতে বা যেকোনো সময় এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়ে থাকতে পারে। নিহতদের শরীর দেখে বোঝা যাচ্ছে যে, হত্যার পূর্বে মা ও মেয়েদের ধর্ষণ করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, কাজল প্রায় ২০ বছর ধরে মালয়েশিয়া থাকেন। সেখানে থাকার সময় ইন্দোনেশিয়ান মেয়ে ফাতেমাকে বিয়ে করেন। ওখানেই তাদের বড় মেয়ের জন্ম হয়। পরে শ্রীপুরের আবদার গ্রামের জমি কিনে দোতলা বাড়ি তৈরি করেন। দেশে আসার পর আরো এক মেয়ে ও এক ছেলের জন্ম হয়। তার স্ত্রী সন্তানরা এ বাড়ির দ্বিতীয় তলায় বসবাস করে আসছিলেন। কাজল সময় পেলে ছুটিতে বাড়ি আসেন। প্রতিবেশীদের সঙ্গে এ পরিবারের খুবই ভালো সম্পর্ক। সবাই তাদের খুব ভালো মানুষ হিসেবে জানেন।

তিনি মনে করেন, ঘটনাটি পরিকল্পিত। হত্যার সময় হয়তো অন্যকিছু ঘটে থাকতে পারে। যে বা যারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের মূল উদ্দেশ্যই ছিল হত্যা করা। ঘটনাস্থল থেকে ধারালো ছুরি, বটি ও অন্যান্য আলামত উদ্ধার করা হয়েছে। এর প্রকৃত রহস্য বের করতে কাজ করছে পুলিশ।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *