বার্গম্যান, নাকি ‘বাগ’ম্যান

বার্গম্যান, নাকি ‘বাগ’ম্যান

তাজা খবর:

ডিজিটাল দুনিয়ায় বর্তমান সময়ে বড় দুশ্চিন্তার কারণ ‘বাগ’ বা কোডিংয়ের বিচ্যুতি। বাংলাদেশের গণমাধ্যমে তেমনি এক ‘বাগ’ বা বিচ্যুতির নাম ডেভিড বার্গম্যান। যুদ্ধাপরাধীদের লবিস্ট হিসেবে কাজ করা একজন ‘অতি মানবিক সাংবাদিক’ তিনি। বাংলায় একটি প্রবাদ রয়েছে- গায়ে মানে না, আপনি মোড়ল। তেমনিভাবে আন্তর্জাতিক বা স্থানীয় কোন স্বীকৃতি ছাড়াই প্রবাসে বসে তিনি ‘বাংলাদেশ বিষয়ক বিশেষজ্ঞ’র দায়িত্ব পালন করছেন।

একজন ব্যক্তি যখন শুধু সমালোচনার জন্যই কাজ করে তখন তার কাছ থেকে বস্তুনিষ্ঠতা আশা করাটাই হবে বোকামি। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধে সরাসরি জড়িতদের বিচারের বিরোধিতা করে নিজের ব্লগে লেখালেখি করে আলোচনায় আসে ব্রিটিশ এই নাগরিক। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় গণহত্যাসহ সব ধরনের অপকর্মে সম্পৃক্তদের বিচার শুরু হলে তা নিয়ে নেতিবাচক লেখালেখিও করেন বার্গম্যান।

বাংলাদেশ জুড়ে ২০১৩-১৪ সালে যখন যুদ্ধাপরাধী ও জঙ্গি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলনে নামে মানুষ। তখন এই যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষ নিয়ে একাধিক লেখা প্রকাশ করেন ডেভিড বার্গম্যান। তার হস্তক্ষেপেই যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে বিকৃত করে একটি বই প্রকাশ করে শর্মিলা বসু। ‘ডেড রেকনিং: মেমরিস অফ দা নাইনটিন সেভেন্টি ওয়ান বাংলাদেশ ওয়ার’ নামের এই বইয়ে বলা হয়, ‘মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশে কমপক্ষে ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ লোক নিহত হয়েছে।‘ সেই সঙ্গে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ‘জেনোসাইড’ বা জাতিগত নিধন বা হত্যাযজ্ঞ হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি। সম্প্রতি ডেভিড বার্গম্যান সম্পাদিত ওয়েব পোর্টাল নেত্র নিউজে এই শর্মিলা বসুর প্রকাশিত এক মতামতে মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশে চলমান হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তুলনা করা হয় মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তীকালে ‘বিহারি হত্যাকাণ্ড’কে। যেখানে বিশ্বের সকল প্রথমসারির গণমাধ্যম ও ইতিহাসবিদের ভাষ্যমতে ১৯৭১ সালে বাঙ্গালী জাতিকে নিধনের টার্গেট নিয়ে নামে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী, সেখানে এমন এক মিথ্যাচারের কথা মতামত আকারে প্রকাশ করেন ডেভিড বার্গম্যান।

কিন্তু কেন ডেভিড বার্গম্যান বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে এমন বিতর্ক সৃষ্টি করছেন? এটি জানতে ফিরে যেতে হবে প্রায় ৮ বছর আগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর এক শুনানিতে। বার্গম্যান তার নিজস্ব ব্লগে (বাংলাদেশ ওয়ারক্রাইমস ডট ব্লগস্পট ডট কম) তিনটি লেখায় মুক্তিযুদ্ধকালে শহীদদের সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন তোলা এবং এছাড়াও ট্রাইব্যুনালের বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করে সে। লেখাগুলো হল: ‘আযাদ জাজমেন্ট এনালাইসিস ১: ইন অ্যাবসেন্সিয়া ট্রায়ালস অ্যান্ড ডিফেন্স ইনএডেকোয়েসি’, ‘আযাদ জাজমেন্ট এনালাইসিস ২: ট্রাইব্যুনাল অ্যাসাম্পশন’ এবং ‘সাঈদী ইনডাইক্টমেন্ট: ১৯৭১ ডেথস’। বিষয়টি নিয়ে আদালত অবমাননার মামলা হলে আইনজীবী মিজান সাঈদ, মোকসেদুল ইসলাম ও এনামুল কবির এই আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন। বার্গম্যানের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোস্তাফিজুর রহমান খান। আদালত সেই শুনাতিতে সাঈদী ইনডাইক্টমেন্ট: ১৯৭১ ডেথস’ সম্পর্কে বলা হয়, এর মাধ্যমে আদালত অবমাননা না হলেও কোনোভাবেই জনস্বার্থে ও ভালো বিশ্বাসে এই প্রশ্ন তোলা হয়নি। বরং শহীদদের সংখ্যা নিয়ে এই বিতর্ক এমন সময় তোলা হয়েছে, যখন ট্রাইব্যুনালের সামনে আরও অনেক বিচারাধীন মামলা ছিল। মুক্তিযুদ্ধ বাঙালির একটি আবেগের জায়গা। ঐতিহাসিকভাবে মীমাংসিত বিষয়গুলো নিয়ে ভবিষ্যতে আর কোনো সমালোচনা না করার জন্য বার্গম্যানকে সতর্ক করে ট্রাইব্যুনাল।

সেই সঙ্গে আরও বলা হয়, যে পদ্ধতিতে ও বিদ্রূপপূর্ণ ভাষায় বার্গম্যান তাঁর লেখায় মন্তব্য করেছেন, তা ট্রাইব্যুনালের কর্তৃত্বকে খাটো করেছে। পেশায় সাংবাদিক হয়ে তিনি বরং সেই সব ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর মুখপাত্রের মতো কাজ করছেন, যারা এই বিচারপ্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে অযৌক্তিক, পক্ষপাতমূলক ও কুরুচিপূর্ণ প্রচারণা চালাচ্ছে।
আদালত শুনানি শেষে ডেভিড বার্গম্যানকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে ৭দিনের কারাদণ্ডের রায় প্রদান করে। বিচারের শুনানির সময়টুকু ডেভিড বার্গম্যানের কারাদণ্ডের সময় বলে বিবেচনা করা হবে বলে জানায় আদালত।

ট্রাইব্যুনাল এই রায়ের পর্যবেক্ষণে বলেন, জাতির গর্ব মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে বার্গম্যান যে ন্যায়ভ্রষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করেন, তা তাঁর মানসিকতা পরীক্ষা করলেই বোঝা যায়। এ জন্য বার্গম্যানের অন্য একটি লেখা পরীক্ষা করেছেন ট্রাইব্যুনাল। ইন্টারন্যাশনাল জাস্টিস ট্রিবিউন সাময়িকীর ২০১২ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি সংখ্যায় তাঁর ‘আইসিটি: ক্যান ওয়ান সাইডেড ট্রায়ালস বি ফেয়ার?’ শিরোনামে ওই নিবন্ধে লেখা হয়েছে, ‘ঢাকার ট্রাইব্যুনাল কাজ করছে একাত্তরের মার্চ থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সেই সব ঘটনা নিয়ে, যখন সত্তরের নির্বাচনে জেতার পর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় যাওয়ার চেষ্টা করলে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী তা প্রতিহত করতে বল প্রয়োগ করে। আওয়ামী লীগের সমর্থকেরা ছিল পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমানে বাংলাদেশ) বসবাসকারী বাঙালি। পাকিস্তানি সেনা এবং আওয়ামী লীগের সমর্থক ও অন্যদের মধ্যে যুদ্ধ তখন শেষ হয়, যখন ভারতীয় সেনারা বাঙালি মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষে এতে হস্তক্ষেপ করে।’ প্রথমত, লেখার শিরোনামে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারপ্রক্রিয়াকে বার্গম্যান ‘একপক্ষীয় বিচার’ বলে উল্লেখ করেছেন। দ্বিতীয়ত, বাঙালির আত্মপরিচয়ের যুদ্ধ একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকে তিনি ‘পাকিস্তানি সেনা ও আওয়ামী লীগের সমর্থকদের মধ্যে যুদ্ধ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

ট্রাইব্যুনাল আরও জানায়, ‘আমরা বিস্মিত এই দেখে যে কীভাবে ও কিসের ভিত্তিতে বিদেশি নাগরিক ডেভিড বার্গম্যান মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে এ ধরনের ন্যায়ভ্রষ্ট মানসিকতা নিয়ে বাংলাদেশে কাজ করছেন। এটা আমাদের কাছে পরিষ্কার নয়। তবে এটা আমাদের বিষয় নয়। সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এসব বিষয়ের আইনগত দিক খতিয়ে দেখতে পারে।’

যুদ্ধাপরাধীদের এজেন্ট এবং তারেক রহমানের বেতনভুক্ত উপদেষ্টা ডেভিড বার্গম্যান। যিনি বাংলাদেশের সংবিধান প্রণেতাদের মধ্যে অন্যতম ড. কামাল হোসেনের জামাতা। ডেভিড বার্গম্যান হলেন সেই লোক, যিনি প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে সাংবাদিকতা করেন এবং বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদগার করাই যার মূল লক্ষ্য। বার্গম্যানের পরিচয় দিতে গিয়ে উইকিপিডিয়াতে লেখা রয়েছে, ‘বার্গম্যান শেখা হাসিনা ও আওয়ামী লীগ সরকারের বিখ্যাত সমালোচক।’

একজন ব্যক্তি যখন শুধু সমালোচনার জন্যই কাজ করে তখন তার কাছ থেকে বস্তুনিষ্ঠতা আশা করাটাই হবে বোকামি। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধে সরাসরি জড়িতদের বিচারের বিরোধিতা করে নিজের ব্লগে লেখালেখি করে আলোচনায় আসে ব্রিটিশ এই নাগরিক। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় গণহত্যাসহ সব ধরনের অপকর্মে সম্পৃক্তদের বিচার শুরু হলে তা নিয়ে নেতিবাচক লেখালেখিও করেন বার্গম্যান। তার লেখার মূল উদ্দেশ্য ছিল এই বিচারপ্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করা। অধিকাংশ লেখাতেই তিনি শুধু সেসব মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে যুক্তদের বিচারের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলার চেষ্টা করেছেন, যারা বিএনপি এবং জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। ডেভিড বার্গম্যান তাদের হয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশ এবং সরকারকে বিব্রত করার চেষ্টা করেছে যা এখনও চলছে। এমনকি বিচারাধীন বিষয়ে উসকানি ছড়ানোর দায়ে একপর্যায়ে আদালত তাকে দোষী সাব্যস্ত করে এবং ইতিহাস বিকৃতির দায়ে ২০১৪ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ তাকে অভিযুক্ত করে সাজাও দেয়।

এই তথাকথিত সাংবাদিক নিজেকে নিরপেক্ষ দাবি করলেও তার ব্যক্তি ও পারিবারিক পরিচয় সম্পর্কে জানা প্রাসঙ্গিক। তিনি ড. কামাল হোসেনের জামাতা। আর এই ড. কামাল হলেন বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় জোট বিএনপি-জামায়াতের প্রধান সমন্বয়ক। এই কারণেই বিএনপি-জামায়াতের রাজনীতিতে যুক্ত এবং মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্তদের পক্ষ নিয়ে দীর্ঘ সময় লেখালেখি করে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছেন বার্গম্যান।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে আক্রমণাত্মক প্রচারণার জন্য আন্তর্জাতিকভাবে লবিংয়ের জন্য মোটা অঙ্কের টাকা খরচ করা হয়েছে, বিশেষ করে ওয়াশিংটন ও লন্ডনে। এসবের সঙ্গেও তিনি জড়িত। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, জামায়াত নেতা মীর কাসেম, যে পরবর্তীতে সাজাপ্রাপ্ত হয়েছে, তিনি নিজেকে বাঁচানোর জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ম্যানেজ করতেই ২৫ মিলিয়ন ডলার খরচ করেছে। বার্গম্যানের বিএনপির সঙ্গে রাজনৈতিক যোগাযোগ এতটাই ঘনিষ্ঠ যে, তা চাইলেও অস্বীকার করার উপায় নেই। লন্ডনের বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে বিএনপি-জামায়াতের কর্মীদের সঙ্গেও তাকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আন্দোলন করতে দেখা গেছে।

বাংলাদেশে থাকা অবস্থায় অপেশাদার ও ঔদ্ধত্য আচরণের জন্য দ্য নিউ এজ পত্রিকা এবং বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডট কম থেকে চাকরি ছাড়তে হয়েছে ডেভিড বার্গম্যানকে। তার বিরুদ্ধে সাংবাদিকতার নৈতিকতার তোয়াক্কা না করার অভিযোগ ছিল। এ ছাড়াও দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বানচালে ব্যক্তিগত ব্লগে লিখে ও বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থার কাছে বিচার দিয়ে খুব একটা লাভ হয়নি এই ব্রিটিশ নাগরিকের। আর সে কারণেই ভিন্ন পথ অবলম্বন করেন তিনি। অর্থপাচার এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে হত্যা ষড়যন্ত্রের সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকায় সাজাপ্রাপ্ত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এই ডেভিড বার্গম্যানের সহায়তায় ড. কামালের সঙ্গে সরকারবিরোধী জোট গড়ে তোলেন। ড. কামাল হোসেনের জামাতা বার্গম্যান মূলত সরকার বিরোধীদের একই প্ল্যাটফর্মে আনার জন্য মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করেছেন।

দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত যে সাবেক প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার বিরুদ্ধে এখন তদন্ত চলছে, সেই সিনহা যুক্তরাষ্ট্রে বসে এখন তারেক রহমান এবং ড. কামালদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন এবং অসাংবিধানিকভাবে সরকার পরিবর্তনের জন্য বিএনপি-জামায়াত জোটের হয়ে কাজ করছেন। ডেভিড বার্গম্যানই ড. কামাল, তারেক রহমান, এস কে সিনহার মধ্যে লিয়াজোঁ হিসেবে কাজ করছেন।

কিন্তু এত সব করেও শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের আদালতে পাওয়া সাজার ক্ষোভ টুকু ভুলতে পারেনি এই ব্রিটিশ নাগরিক। সে কারণেই বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া এক সাংবাদিককে সঙ্গে নিয়ে তিনি গড়ে তোলেন ‘নেত্র নিউজ’ নামের একটি পোর্টাল। নেত্র নিউজ ২০১৯ সালে যাত্রা শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত আওয়ামী লীগ বিরোধী প্রোপাগান্ডা সেল হিসেবে কাজ করছে। বার্গম্যানের মত শেখ হাসিনা ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সমালোচকদের মুখপাত্র হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে পত্রিকাটি।

মূলত যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের মাধ্যমে বাংলাদেশে যেই ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তার গুরুত্ব ম্লান করতে এবং বিশ্বের বুকে বাংলাদেশকে মিথ্যাবাদী ও ব্যর্থ রাষ্ট্র হিসেবে প্রমাণের জন্য উঠে পড়ে লেগেছে ডেভিড বার্গম্যানরা। বিদেশে বসে বাংলাদেশের জন্য তাদের যত মায়াকান্না। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম (উই ফোরাম) যখন বাংলাদেশের অর্থনীতিকে দক্ষিণ এশিয়ার ‘বুলস’ বলে অ্যাখ্যায়িত করছে, তখন বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্র হিসেবে বর্ণনা করছে নেত্র নিউজ। একচোখা দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে বস্তুনিষ্ঠতা প্রমাণে ব্যস্ত রয়েছেন বার্গম্যানরা। বাংলাদেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে আজ বিশ্বের বুকে সাংবাদিকতার ‘বাগ’ (বিচ্যুতি) এই ডেভিড বার্গম্যান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *