ভারতকে হারিয়ে সাফের চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ

ভারতকে হারিয়ে সাফের চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ

তাজা খবর:

সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ দল। এটি বাংলার মেয়েদের ব্যাক টু ব্যাক শিরোপা। সবশেষ সাফের আসরেও শিরোপা জিতেছিল লাল সবুজের দল।

বুধবার কমলাপুর বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে গ্রুপপর্বের মত ভারতকে ১-০ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশের মেয়েরা।

ভারতের বিপক্ষের ম্যাচের একাদশ থেকে কেবল মার্জিয়াকে সাইডবেঞ্চে বসিয়ে প্রায় অপরিবর্তিত দলটাকেই ফাইনালে খেলিয়েছেন বাংলাদেশ কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন। মার্জিয়ার পরিবর্তে শুরুর একাদশে খেলেছেন গ্রুপপর্বে ৫ গোল করা ফরোয়ার্ড শাহেদা আক্তার রিপা।

বলের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের পায়ে রেখে ১৪ মিনিটে প্রায় এগিয়েই গিয়েছিল বাংলাদেশ। মারিয়া মান্দার দূরপাল্লার শটে বল ভারত গোলরক্ষক আনশিকার গ্লাভস ফসকালে ফিরতি বলে শট নেন তহুরা খাতুন।

মাটি কামড়ে বল জালে ঢোকার মুখে গোললাইনে বল আটকে দেন আনশিকা। ‘গোল হয়েছে’, বাংলাদেশের ফুটবলারদের এমন দাবি সত্ত্বেও গোল না দেওয়ার দাবিতেই অনড় থাকেন নেপালি রেফারি রায় অঞ্জনা।

২৫ মিনিটে আবার দুর্ভাগ্যের শিকার স্বাগতিকেরা। ডান প্রান্ত থেকে আনাই মগিনির আকাশে ভাসানো শট প্রতিহত হয় বারে। গোলমুখে দলের একজন থাকলে হয়তো সেই দফাতেই লিড পেত বাংলাদেশ।

এরপর বেশ কয়েকবার আঘাত পালটা আঘাত হয়েছে। কিন্তু গোলের দেখা পায়নি কোন দল। শেষ পর্যন্ত গোল শূন্যতে শেষ হয় ফাইনালের প্রথমার্ধ।

দ্বিতীয়ার্ধের প্রথম মিনিটে আবারো গোল বঞ্চিত হয় বাংলাদেশ। ৪৬ মিনিটে ডি-বক্সের মুখে শামসুন্নাহার জুনিয়রের ভলি কোণার পোস্টে লেগে হয় প্রতিহত।

৬০ মিনিটে শাহেদা আক্তার রিপার ক্রস থেকে শামসুন্নাহার জুনিয়রের হেডও খুঁজে পায়নি জাল। ৭৫ মিনিটে জটলার ভেতর বাংলাদেশ বল ঢোকালেও অফসাইডের বাঁশি বাজান নেপালি রেফারি।

কয়েক দফা গোলের সুযোগ নষ্ট করার পর বাংলাদেশের কাঙ্ক্ষিত জয়ের মুহূর্তটা এসেছে ৮০ মিনিটে। শাহেদা আক্তার রিপার ব্যাকহিল থেকে আনাই মগিনির ৩০ গজ দূর থেকে নেওয়া দূরপাল্লার শট ঠেকাতে লাফিয়ে উঠেছিলেন ভারত গোলরক্ষক আনশিকা।

এ সময় বল তার গ্লাভস লেগে আলতো ভাবে জালে জড়ালে কাঙ্ক্ষিত লিড পায় বাংলাদেশ। অন্যদিকে সঙ্গে সঙ্গে গোলের উৎসবে গর্জনে মেতে ওঠে কমলাপুর স্টেডিয়াম।

এই লিড বাকি দশ মিনিট ধরে রাখে বাংলাদেশ। রেফারির শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে বাঁধভাঙ্গা আনন্দে মেতে ওঠে স্বাগতিকরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *