মুজিব বর্ষে ১০০ উদ্যোক্তাকে সহায়তা করা হবে: পলক

মুজিব বর্ষে ১০০ উদ্যোক্তাকে সহায়তা করা হবে: পলক

ডেস্ক নিউজ:

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি বলেছেন, মুজিব বর্ষে (বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী) ১০০ উদ্যোক্তাকে সহায়তা করা হবে। এ জন্য ইতিমধ্যেই আইসিটি বিভাগের অধীনে ফান্ড গঠন, কোওয়ার্কিং স্পেস এবং মেন্টরিং ও কোচিং সাপোর্ট এর ব্যবস্থা করা হয়েছে।

শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর রেডিসন ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে স্টার্টআপ ওয়ার্ল্ড কাপের বাংলাদেশ পর্বের গ্র্যান্ড ফিনালে বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন তিনি। স্টার্টআপ ওয়ার্ল্ড কাপ ২০২০ বাংলাদেশে যৌথভাবে আয়োজন করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আইসিটি ডিভিশন, ভেঞ্চার ক্যাপিটাল অ্যান্ড প্রাইভেট ইক্যুইটি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ভিসিপিয়াব), ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স কর্পোরেশন (আইএফসি) এবং পাওয়ার্ড বাই ইজেনারেশন।

চূড়ান্ত পর্বে প্রধান বিচারক ও অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প এবং বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন, পেগাসাস টেক ভেঞ্চারস এর জেনারেল পার্টনার, ভিসিপিয়াব চেয়ারম্যান ও ইজেনারেশন গ্রুপের চেয়ারম্যান শামীম আহসান। স্টার্টআপ ওয়ার্ল্ড কাপের চেয়ারম্যান, পেগাসাস টেক ভেঞ্চারসের জেনারেল পার্টনার ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আনিস উজ্জামান, কুয়েস্ট ভেঞ্চারসের ব্যবস্থাপনা অংশীদার জেমস টান, ডেফটা পার্টনার্সের প্রিন্সিপাল মাসা ইসোনো, উইমেন ইন টেকের প্রতিষ্ঠাতা জেনি রিসকু এবং ওপেনস্পেস ভেঞ্চারসের পরিচালক আয়ান সিকোরা প্রমুখ।

আইসিটি প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ঐতিহাসিক ভাবে আমরা সমস্যা সামাধানের জাতি। ঝুঁকি গ্রহণের জাতি। তাই আমরা কোনো সমস্যার কথা বলবো না, সমাধান দেবো। শুধু দেশের নয়, বৈশ্বিক সমস্যারও সমাধন বের করবে আমাদের তরুণ উদ্ভাবক ও উদ্যোক্তরা।

পলক আরো বলেন, গত ৪ বছরে বিভিন্ন স্টার্টআপ থেকে আমারা ৫ হাজারের মতো আবেদন পেয়েছি। এর মধ্যে শতাধিক উদ্যোক্তাকে প্রি সিড মানি সরবরাহ করা হয়েছে। আরো ১০০ উদ্যোক্তা এখন স্টার্টআপ বাংলাদেশ প্লাটফর্ম থেকে আর্থিক সুবিধা পাওয়ার জন্য অপেক্ষমান। তারা এখন গ্রোথ স্টেজে আছে।

জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ২০১৬ সাল থেকে স্টার্টআপ বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা শুরু হলে তখন আমরা দেশজুড়ে ৩০০টি অ্যাপ্লিকেশন পেয়েছিলাম। এর মধ্য থেকে ৫০টি স্টার্টআপ নির্বাচন করা হয়েছিলো। এরপর বাছাই করা ১০টি উদ্যোগকে ছোট অংকের তহবিল সুবিধা ও কাওরানবাজার সফটওয়্যার পার্কে জায়গা দিয়েছিলাম। তারা এখন স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক ভেঞ্চার ক্যাপিটাল কোম্পানির কাছ থেকে কয়েক মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ পেয়েছে।

প্রসঙ্গত, স্টার্টআপ ওয়ার্ল্ডকাপের বাংলাদেশ পর্বে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ‘গেজ টেকনোলজিস’। উদ্যোগটি সিলিকন ভ্যালিতে স্মার্টআপ ওয়ার্ল্ড কাপ ২০২০-এর চূড়ান্ত পর্বে এক মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ পুরস্কার লাভের জন্য লড়বে।এছাড়া উদ্যোগটি সংযুক্ত আরব আমিরাতে অ্যানুয়াল ইনভেস্টমেন্ট মিটিংয়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পাবে।

প্রতিযোগিতায় প্রথম ও দ্বিতীয় রানার্সআপ নির্বাচিত হয়েছে যথাক্রমে ‘অল্টারইয়্যুথ’ এবং ‘ট্রাক লাগবে?’ উদ্যোগ।এছাড়া চতুর্থ ও পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে পোষাপেটস ও কুকআপস। সেরা ৫ স্টার্টআপকে সিলিকন ভ্যালিতে নিয়ে যাওয়া হবে এবং অংশগ্রহণকারী সকল স্টার্টআপ আইসিটি ডিভিশন পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পাবে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *