রিজভীর আরও একটু বিশ্রাম ও চিকিৎসা দরকার: তথ্যমন্ত্রী

রিজভীর আরও একটু বিশ্রাম ও চিকিৎসা দরকার: তথ্যমন্ত্রী

তাজা খবর:

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রিজভী আহমেদ সুস্থ হয়ে ফিরে এসেছেন, এজন্য স্বস্তি প্রকাশ করছি। কিন্তু তার বক্তব্য শুনে মনে হচ্ছে তিনি এখনো পুরাপুরি সুস্থ হননি, তার আরও একটু বিশ্রাম দরকার, আরও একটু চিকিৎসা দরকার।

বুধবার (১১ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের কনফারেন্স রুমে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্মের ওপর সপ্তাহব্যাপী ‘আলোকচিত্র, ডিজিটাল ডিসপ্লে ও সংবাদপত্রে বঙ্গবন্ধু’ শীর্ষক প্রদর্শনীর উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধান তথ্য কর্মকর্তা শাহিনুর মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান, সচিব মো. মকবুল হোসেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, রিজভী আহমেদ অসুস্থ ছিলেন, ওনার বক্তব্য আমরা অনেক দিন মিস করছিলাম। আমি খোঁজ-খবর নিয়েছিলাম। বিভিন্ন সূত্র থেকে খবর পেলাম অসুস্থ থাকায় তাকে দেখা যাচ্ছে না। তিনি সুস্থ হয়ে ফিরে এসেছেন এবং বক্তব্য দিচ্ছেন, এজন্য স্বস্তি প্রকাশ করছি। তার বক্তব্যে মনে হচ্ছে তিনি এখনও পুরোপুরি সুস্থ হননি, তার আরও একটু বিশ্রাম দরকার, আরও একটু চিকিৎসা দরকার। তিনি গতকাল যে বক্তব্য রেখেছেন, যেভাবে রেখেছেন এটি আসলে সুস্থতার লক্ষণ নয়, আরও সুচিকিৎসার প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি। ড্যাবের ডাক্তাররা চিকিৎসা করতে পারেন। দরকার হলে আমরাও সহায়তা করতে পারি।

করোনা টিকা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপি এই টিকা নিয়ে প্রথম থেকে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে। এই টিকাদান ও টিকা গ্রহণ জনস্বার্থের কাজ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদিত কোনো টিকা নিয়ে যদি বিভ্রান্তি ছড়ানো হয় তাহলে তা অবশ্যই জনস্বার্থবিরোধী এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তিনি অ্যাস্ট্রোজেনেকার টিকা নিয়ে কথা বলেছেন, এজন্য ওই টিকা না নিয়ে মর্ডানার টিকা নিয়েছেন। তিনি হাত মাথার পেছন দিয়ে ঘুরিয়ে এনে খেয়েছেন। এই টিকাও সরকার সংগ্রহ করেছে। সরকারের টিকা কার্যক্রম নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা তাদের প্রথম থেকেই ছিল। তাদের শীর্ষ নেতাদের বহুজন এই টিকা নিয়েছেন।

যারা দেশটাই চায়নি তারা এখন বাংলাদেশে আস্ফালন করে, রাজনীতি করে উল্লেখ করে ড. হাসান মাহমুদ বলেন, এদের পৃষ্ঠপোষকতা করে বিএনপি। আমাদের দুর্ভাগ্য আমাদের দেশে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় যারা বিরুদ্ধাচারণ করেছেন, শুধু তাই নয় মুক্তিকামী মানুষের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরেছেন তারা এখন রাজনীতি করেন, আর তাদের সেই সুযোগ করে দিয়েছেন জিয়াউর রহমান। জামায়াতে ইসলামসহ ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলো বঙ্গবন্ধু নিষিদ্ধ করেছিলেন, জিয়াউর রহমান ক্ষমতা দখল করে ধর্মভিত্তিক রাজনীতির অনুমতি দিয়েছেন।

তিনি বলেন, ইতিহাসকে সঠিক তথ্যনির্ভর করার জন্য জিয়াউর রহমানসহ যারা বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডের কুশীলব ছিলেন তাদের মুখোশ উন্মোচন হওয়া প্রয়োজন, এটি আজ সময়ের দাবি। অন্যথায় ইতিহাসের সঠিক তথ্য সন্নিবেশিত হবে না, ইতিহাসের দায়টা আমরা এড়াতে পারব না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *