সফল নারী উদ্যোক্তা সীমা জেনারেল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পরিচালক সীমা সাহা

সফল নারী উদ্যোক্তা সীমা জেনারেল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পরিচালক সীমা সাহা

তাজা খবর:

নারীরা দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছেন। সমাজের সব ক্ষেত্রে তাদের অবস্থান পাকাপোক্ত হচ্ছে। এর মধ্যে বেশিরভাগ নারীই স্বর্নিভরতার জন্য চাকরিতে যাচ্ছেন। আর কিছু নারী এগিয়ে আসছেন ঝুঁকিপূর্ণ পেশা ব্যবসায়। তারা নানা প্রতিকূলতাকে পেছনে ফেলে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন। নিজেদের পাশাপাশি অন্য নারীদেরও উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে সহযোগিতা করছেন।

সীমা সাহা এমনই একজন নারী যিনি একজন সফল উদ্যোক্তা। নিজের পরিশ্রম এবং এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয়। পথে পথে নানা প্রতিবন্ধকতা মোকাবেলা করতে হয়েছে, তবে কখনোই দমে যাননি। নিজের মেধা, মননশীলতা, কর্মনিষ্ঠা এবং একাগ্র প্রচেষ্টার মাধ্যমে প্রতিনিয়ত এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন তিনি।

১৯৯৭ইং সালের নভেম্বর মাসে ঢাকা জেলার সন্নিকটে ঢাকা আরিচা মহাসড়কের পাশে সাভার উপজেলার গেণ্ডাতে অতিদরিদ্র মানুষের স্বল্পমূল্যে স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার লক্ষে সীমা জেনারেল হাসপাতালের কার্যক্রম শুরু করেন সীমা সাহা।

দিন দিন সেবার পরিসর বাড়ছে। বর্তমানে অর্থনৈতিকভাবে বেশ স্বাবলম্বী। তাছাড়া অনেকজনের কর্মসংস্থান সৃষ্টিও করেছেন তিনি।

সীমা জেনারেল হাসপাতালের কর্মরত আছেন, টেকনিশিয়ান, নার্স, রিসিফ মেনো লিস্ট, আয়া, নাইড গার্ড। হাসপাতালের যন্ত্রসূমহ ডিজিটাল আলট্রা মেশিন, ডিজিটাল এক্সরে মেশিন, হরমোন মেশিন, এ্যানাইজার মেশিন, ই, সি, জি মেশিন, সেলকাউন্ডার মেশিন, নোবোলাইজার মেশিন। সেবাসূমহ সকল প্রকার রক্তের পরিক্ষা, সার্বিক চিকিৎসা ব্যাবস্থা, সুসজিত প্যাথোলজী, দক্ষ টেকনিশিয়ান।

রেগী সেবা দেবার জন্য সবসময় ডাক্তারের ব্যাবস্থা, অভিজ্ঞ ডাক্তারের ব্যবস্থ্য যা রোগীর বিভিন্ন প্রকার সমস্যা সমাধান করেন, হাসপাতালের সকল ডাক্তার চিকিৎসা ব্যাবস্থাপনার উপর সন্তষ্ঠু।

সীমা সাহা বলেন, অর্থ উপার্জন নয়, সেবাদেওয়াই আমাদের মূল উদ্দেশ্য । তিনি আরও বলেন, প্রতিটি কাজে আমার স্বামী আমাকে যথেষ্ট সহযোগিতা করেছেন। সব সময় তিনি আমার পাশে থেকে সাহস জুগিয়েছেন। তার সহযোগিতায় আজ আমি এই জায়গায় আসতে পেরেছি।

এই ঝুঁকিপূর্ণ পেশায় সীমা সাহা নারী হিসাবে সফল। বাংলাদেশ সরকার ঘোষিত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছেন এই নারী।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *