সহজ হচ্ছে আমদানি নীতি

সহজ হচ্ছে আমদানি নীতি

রফতানিমুখী শিল্পের কাঁচামাল আমদানিতে বন্ডেড সুবিধাসহ আরও সহজ শর্ত রেখে সরকার নতুন আমদানি নীতি করতে যাচ্ছে। ২০১৫-১৮ মেয়াদের আমদানি নীতি আদেশ ইতোমধ্যে শেষ হয়ে গেলেও এখনও ২০১৮-২১ বছরের আমদানি নীতি জারি করতে পারেনি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নতুন আমদানি নীতি আদেশ অর্থনৈতিক মন্ত্রিসভা কমিটির এক বৈঠকে অনুমোদনের জন্য তোলা হয়। এরপর পর্যালোচনা করে ওই প্রস্তাবটি মৌখিকভাবে অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা কমিটি। পরবর্তীতে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রস্তাবটি লিখিতভাবে জানানোর পর আমদানি নীতি সংযুক্ত করা হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র মতে, বৈদেশিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে এলসি খোলা হয়ে থাকে। যখন রিজার্ভ কম থাকে, তখনও এলসি খোলার প্রয়োজন হয়। এটি খুলতে অনেক ফরম পূরণ করতে হয়, যা জোগান দিতে ব্যবসায়ীদের বেশ বেগ পেতে হয়, এটা ডুয়িং বিজনেসের ক্ষেত্রে অন্তরায়। এখন রিজার্ভ ভালো। তাই এখন ফরম পূরণের জটিলতা কমিয়ে আনা হবে। এছাড়া বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, এলসি খোলার ক্ষেত্রে কিছু বিষয় শিথিল করা হচ্ছে।

আমদানি নীতি প্রতি তিন বছর পর পর নবায়ন (রিনিউ) করা হয়। দেশের অবস্থা, পণ্য এবং বৈদেশিক বাণিজ্য বিবেচনা করে নতুন আদেশে সংযোজন-বিয়োজন করা হয়। সর্বশেষ ২০১৫-১৮ মেয়াদের জারি করা আমদানি নীতির মেয়াদ ২০১৮ সালের ৩০ জুন শেষ হয়। তবে নতুন আদেশ জারি না হওয়া পর্যন্ত আগের নীতি কার্যকর থাকবে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *