সাভারের আশুলিয়ায় যুবলীগ নেতাকে হত্যাচেষ্টা

সাভারের আশুলিয়ায় যুবলীগ নেতাকে হত্যাচেষ্টা

তাজা খবর:

ঢাকা জেলার সাভারের আশুলিয়া ইউনিয়ন যুবলীগ নেতাকে পূর্ব শত্রুতার জেরে হত্যার চেষ্টা করেছে সাবেক যুবলীগ নেতা।

বুধবার (০২ জুন) মধ্যরাতে আশুলিয়ার ইয়ারপুর দক্ষিনপাড়া এলাকায় ইয়ারপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সাহিত্য সম্পাদক পারভেজ কাজীকে নিজের বাসায় ফেরার সময় অতর্কিত হত্যাচেষ্টা চালায় যুবলীগের সভাপতি প্রার্থী মুছা ও তার সহযোগীরা।

এ ব্যাপারে বৃহস্পতিবার (০৩ জুন) আশুলিয়া থানায় অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীর পিতা মোঃ কামাল কাজী।

অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, একা পেয়ে আমার ছেলের উপর হামলা করে অভিযুক্তরা। আমার ছেলের মাথায় ছ্যান দিয়ে আঘাত করার চেষ্টা করে মুছা। আমার ছেলে হাত দিয়ে ঠেকানোর চেষ্টা করলে ছ্যানের আঘাতে আমার ছেলের ডান হাতের বাহু কেটে গিয়ে মারাত্নক জখম হয়। এসময় আমার ছেলেকে জি আই পাইপ দিয়ে পিটিয়ে পুরো শরীর নীলাফোলা জখম করে তারা।

এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত হল, ইয়ারপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সভাপতি এবং ইয়ারপুর আওয়ামীলীগের সভাপতি প্রার্থী মোঃ মোশারফ হোসেন মুছা(৪০)। তিনি মৃত আব্দুল মান্নান মোল্লার ছেলে। অন্যান্য অভিযুক্তরা হল, মৃত হাসেম মোল্লার ছেলে কালাম মোল্লা(৪২), মৃত রবিউল্লাহ দেওয়ানের ছেলে আমজাদ দেওয়ান(৪০) এবং আলমেছ খাঁর ছেলে আজিজুল হক আজিজ(৩৮)। সকলের স্থায়ী ঠিকানা আশুলিয়ার থানার ইয়ারপুর। এছাড়া আরও অজ্ঞাত ৪-৫ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী পারভেজ কাজী বলেন, আমি ইট বালুর ব্যবসা করি। আমার কাছে বালু বিক্রির ২ লাখ ১০ হাজার টাকা ছিল। আমাকে মারধোর করে তারা আমার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে গেছে। আমার ডাক চিৎকারে এলাকার মানুষ এগিয়ে আসলে আমাকে হত্যার হুমকি দিয়ে এলাকা ত্যাগ করে তারা। আমি সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা গ্রহণ করেছি। আমাদের সাথে তাদের জমি নিয়ে কোন্দল ছিল।

এ ব্যাপারে মূল অভিযুক্ত মোশারফ হোসেন মূছা বলেন, আমি গত সাতদিন ধরে এলাকাতেই নেই। এ ব্যাপারে আমি কিছুই জানিনা। আমাকে ফাঁসানোর জন্য আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ করেছে তারা।

অভিযোগের তদন্ত কর্মকর্তা আশুলিয়া থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক(এসআই) মিলন ফকির বলেন, অভিযোগের কপি হাতে পেয়েছি। দ্রুতই তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

এর আগে, বুধবার (০২ জুন) সকালে আশুলিয়ার ডেন্ডাবর এলাকার মাইলস্টোন স্কুলের সামনে আশুলিয়ার ধামসোনা ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি ফরহাদ হোসেন কে মাহবুব, তমাল, আলমগীর ও সোহেলের নেতৃত্বে ১০/১২ জন তাকে লোহার পাইপ, হকিস্টিকসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *