সাভারে গরুর মাংসে রং মিশিয়ে বিক্রয়কালে ২ ব্যবসায়ী আটক

সাভারে গরুর মাংসে রং মিশিয়ে বিক্রয়কালে ২ ব্যবসায়ী আটক

তাজা খবর:

ঢাকার অদূরে সাভারে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় গরুর মাংসে রং মিশিয়ে বিক্রয়কালে হাতেনাতে দুই মাংস ব্যবসায়ীকে আটক করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। আজ শুক্রবার দুপুরের সাভার বাজার বাসস্টান্ডের দিলখুশা মার্কেটের সামনের অংশে দুটি মাংস বিক্রির দোকানে ভ্রমাম্যান আদালত অভিযান পরিচালনাকালে তাদেরকে রং মেশানো মাংসসহ হাতেনাতে আটক করে।

আটককৃতরা হলেন, দিলখুশা মার্কেটের সামনে মাংস ব্যবসায়ী মিঠু গোস্ত বিতানের মালিক আসাদুল ইসলাম মিঠু ও লাল মিয়া গোস্ত বিতানের মালিক লাল মিয়া।

পরে ভ্রাম্যমান আদালত বড় পলিপ্যাকের ভিতরে সংরক্ষণে রাখা রং দিয়ে তৈরি করা কৃত্তিম ‘রক্ত’ জব্দ করেন। মিঠু মাংসে রং মিশানোর কথা স্বীকার করলে আদালত তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করে সর্তক করে দেন।

এ সময় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তারা পঁচা ও বাসি মাংসে রং মাখিয়ে টাটকা মাংস হিসেবে প্রদর্শন করে তা বিক্রি করে আসছিল। এছাড়া ওজনেও কম দেয়ার অভিযোগ তাদের বিরুদ্ধে।

জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই অসাধু এই ব্যবসায়ীসহ এক শ্রেণীর মাংস ব্যবসায়ীরা মেয়াদোত্তীর্ণ এবং পচা মাংসে রং মেশিয়ে টাটকা মাংস হিসেবে প্রদর্শন করে বিক্রি করছেন। এমন খবরের ভিত্তিতে শুক্রবার দুপুরে সাভার বাজার বাসস্ট্যান্ডের দিলখুশা মার্কেটের সামনে সাভার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো: মনজুর হোসেনের নেতৃত্বে দুটি মাংসের দোকানে ভ্রমাম্যান আদালত অভিযান পরিচালনা করে। এসময় দুটি মাংসের দোকান তল্লাশী করে রং মাখানো মাংস উদ্ধার করা হয়। আটক করা হয় দু’ মাংস দোকানের মালিককে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মনজুর হোসেন জব্দকৃত রং মেশানো মাংস পরীক্ষার জন্য পরীক্ষাগারে পাঠানোর নির্দেশনা দেন এবং আটককৃতদের কাছ থেকে প্রাথমিকভাবে ১০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করে পুলিশে সোপর্দ করেন।
উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ফজলে রাব্বি মন্ডল জানান, পশুর রক্ত হলে তা জমাট হয়ে যাবার কথা। কিন্তু প্রাথমিক পরীক্ষায় মনে হচ্ছে, রক্তের সঙ্গে কেমিক্যাল মেশানো হয়েছে।

ভ্রাম্যমান আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট মনজুর হোসেন জানান, জব্দকৃত রং রাসায়নিক পরীক্ষার রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *