স্বপ্নের বাড়ি পেয়ে ৩৩ গৃহহীন পরিবারের মুখে হাসি

স্বপ্নের বাড়ি পেয়ে ৩৩ গৃহহীন পরিবারের মুখে হাসি

ডেস্ক নিউজ:

বঙ্গবন্ধু পৌর আবাসন প্রকল্পে ৩৩ টি গৃহহীন পরিবার ঠাঁই পেলো। মাথা গোঁজার ঠাঁইটুকুও যাদের ছিল না, তারা পেলেন স্বপ্নের বাড়ি। ভূমিহীন, বিধবা, স্বামী পরিত্যক্তা, প্রতিবন্ধী ও অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের জন্য বঙ্গবন্ধু পৌর আবাসন প্রকল্পের আওতায় খাগড়াছড়ির কুমিল্লাটিলা এলাকায় নির্মাণ করা হয় ৩৪টি পাকা বাড়ি। এ প্রকল্পে অর্থায়ন করেছে বাংলাদেশ সরকার, এশিয়া উন্নয়ন ব্যাংক ও ওপেক ফান্ড ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট।

প্রত্যেকটি ঘরের আয়তন প্রায় ৫০১ বর্গফুট। এর মধ্যে রয়েছে দু’টি শোবার ঘর, একটি রান্না ঘর, একটি শৌচাগার, একটি ডাইনিং ও একটি ব্যালকনি। ছিমছাম গোছানো ঘর গুলো অনেকটা জিরো আকৃতিতে নির্মাণ করা হয়েছে। প্রত্যেকটি ঘরের সামনে রয়েছে বারান্দা, ছোট বাগান, হাঁটার জায়গা। ঠিক মাঝখানে বিশাল জায়গাজুড়ে রয়েছে ফুল বাগান ও পানি সংরক্ষণের স্থান। বাড়িপ্রতি নির্মাণ খরচ হয়েছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার টাকা।

প্রায় দুই একর জায়গার উপর নির্মাণ করা ৩৪টি পাকা বাড়ির মধ্যে ৩৩ টি বাড়িতে তেত্রিশটি গৃহহীন পরিবার স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেছে। একটি ঘর ব্যবহৃত হবে অফিস হিসেবে।

সুবিধাভোগীরা বলেন, আমরা কল্পনাও করি নাই সরকার আমাকে এমন বাসা দেবে। এত সুন্দর পাকা বাড়ি উপহার পাওয়ায় আমরা খুশি। সরকার এই
মহৎ উদ্যোগকে স্বগত জানায়।

নির্বাহী প্রকৌশলী দীলিপ কুমার বিশ্বাস বলেন, এখানে বসবাসকারী সকল পরিবারের বাগানের জন্য কিছু স্পেস দেয়া হয়েছে। এছাড়া প্রতিবন্ধী, গৃহহীন, ভূমিহীন, হতদরিদ্র, বিধবা, স্বামী পরিত্যক্তা, অসহায়, অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা ও পাহাড় ধসে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সহায়তায় এই প্রকল্পের আদলে শহরের শালবন এলাকায় আরো ৮৮টি ঘর নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

মেয়র মো. রফিকুল আলম বলেন, বাংলাদেশের একটি নাগরিকও গৃহহীন থাকা যাবে না, সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্যই খাগরাছড়ি পৌর প্রশাসন এক ধাপ এগিয়ে আছে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছে খাগড়াছড়ি পৌরসভা। ২০১৭ সালের শেষের দিকে প্রকল্পের কাজ শুরু হয়ে শেষ হয় ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে। এতে ব্যয় হয়েছে ৩ কোটি ৮৭ লাখ টাকা।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *