স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী॥ সংসদে রাষ্ট্রপতির স্মারক ভাষণ আজ

স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী॥ সংসদে রাষ্ট্রপতির স্মারক ভাষণ আজ

তাজা খবর:

পাঁচদিন মুলতবির পর আজ বুধবার বিকেল ৩টায় সংসদের অধিবেশন আবার বসছে। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর বিশেষ আলোচনা আজ এবং আগামীকাল বৃহস্পতিবার দু’দিন অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকের শুরুতেই বিকেল ৩টায় সংসদে রাষ্ট্রপতি মোঃ আব্দুুল হামিদ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর স্মারক ভাষণ প্রদান করবেন।

রাষ্ট্রপতির ভাষণের পর সংসদ কার্যপ্রণালী বিধির ১৪৭ বিধিতে আনীত প্রস্তাবে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। আলোচনায় সরকার ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা অংশগ্রহণ করবেন। আগামীকাল বৃহস্পতিবার বিশেষ আলোচনা শেষে প্রস্তাবটি কণ্ঠভোটে পাস হবে। অতীতের রেওয়াজ অনুযায়ী বিশেষ আলোচনা শেষে প্রস্তাবটি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হতে পারে।

গত বৃহস্পতিবার সংসদ অধিবেশন মুলতবি ঘোষণার আগে জাতীয় সংসদের স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী দু’দিনের বিশেষ আলোচনার কথা জানিয়ে বলেন, ‘আমি আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, আমাদের মহান স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ২০২১ সাল আমরা স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করছি। বর্ণাঢ্য ও যথাযথ মর্যাদায় সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনের জন্য জাতীয়ভাবে বিভিন্ন কর্মসূচী বছরব্যাপী অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় আগামী ২৪ ও ২৫ নবেম্বর স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে জাতীয় সংসদের বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।

স্পীকার আরও জানান, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে জাতীয় সংসদে ২৪ ও ২৫ নবেম্বর বিশেষ আলোচনা হবে। আলোচনার শুরুর দিন আজ বুধবার বিকেল ৩টায় রাষ্ট্রপতি মোঃ আব্দুল হামিদ সংসদে স্মারক বক্তৃতা দেবেন। পরে সাধারণ প্রস্তাব উত্থাপন ও দু’দিনের আলোচনা শেষে সেই প্রস্তাব গ্রহণ করা হবে।

এর আগে গত বছরের নবেম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে সংসদের বিশেষ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। ওই অধিবেশনে সংসদ কার্যপ্রণালী বিধির ১৪৭ বিধিতে আনীত প্রস্তাবের ওপর সাধারণ আলোচনা জন্য সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই প্রস্তাবটি উত্থাপন করেছিলেন।

উল্লেখ্য, স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী সাড়ম্বরে উদযাপনে গত বছরকে ‘মুজিববর্ষ’ ঘোষণা করে নানা কর্মসূচী নিয়েছিল সরকার। তবে করোনাভাইরাস মহামারীর জন্য কর্মসূচীগুলো যথাযথভাবে করতে না পারায় মুজিববর্ষের মেয়াদ ২০২১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়। এ বছরের ২৬ মার্চ বাংলাদেশ উদযাপন করেছে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী। ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের ৫০তম বার্ষিকী উদযাপন করা হবে। এ উপলক্ষে বছরব্যাপী কর্মসূচী পালিত হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *