স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে পর্যটনখাতে নতুন গাইডলাইন

স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে পর্যটনখাতে নতুন গাইডলাইন

তাজা খবর:

স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে পর্যটকদের সেবা দিতে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) প্রণয়ন করেছে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড। বৈশ্বিক করোনা পরিস্থিতির বাস্তবতায় হোটেল-মোটেল, পর্যটক, পর্যটন কেন্দ্র ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে এসওপি মেনে চলতে আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটিনির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

ট্যুরের জন্য অনলাইন বুকিং ও অনলাইন অর্থ পরিশোধ নিশ্চিত, আগমনী ভিসা সংক্রান্ত ঝামেলা এড়াতে বিদেশি পর্যটকদের ভিসা নিয়ে আসতে বলা হয়েছে এসওপিতে। এছাড়া ইনবাউন্ড পর্যটকদের ট্যুর বুকিংয়ের আগে ভ্রমণসূচী ও স্বাস্থ্যবীমা নিশ্চিত করতে হবে। চিকিৎসা প্রতিবেদন, পিসিআর রিপোর্ট, কোভিড-১৯ না থাকার প্রমাণপত্র সঙ্গে রাখতে হবে। হ্যান্ডশেক, আলিঙ্গন এড়িয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করতে হবে।

ভ্রমণের সময় পরিবহনে দূরত্ব বজায় রাখা, লম্বা লাইন, ভিড় এড়াতে ট্যুরের সময়সূচি, টিকিট, সিট, রাইড ইত্যাদি আগেই নিশ্চিত করা, দলগত ভ্রমণের পরিবর্তে ছোট বা পারিবারিক ভ্রমণ করা ইত্যাদি বিষয়েও গুরুত্ব দেয়া হয় এসওপিতে। এছাড়া জরুরি ওষুধ ও জটিল রোগের রিপোর্ট, পর্যাপ্ত নগদ অর্থ, ক্রেডিট কার্ড, পোশাক সঙ্গে রাখা, বুফে খাবার এড়িয়ে চলারও পরামর্শ দেয়া হয় এতে।

হোটেল-মোটেল ও পর্যটনখাতের প্রতিষ্ঠানগুলোকে বলা হয়েছে, বিদেশি পর্যটক এবং দেশিয় পর্যটকদের স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী এবং আন্তর্জাতিক মান বিবেচনা করে পর্যটন সেবা নিশ্চিত করা। অফিস চালু করার আগে অবশ্যই অফিস জীবাণুমুক্ত করতে হবে। প্রতিষ্ঠানে প্রবেশপথে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শরীরের তাপমাত্রা মাপতে হবে। অফিস পরিবহন অবশ্যই জীবাণুমুক্ত করতে হবে। সবাইকে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। সার্জিক্যাল মাস্ক শুধু একবার ব্যবহার করা যাবে, কাপড়ের মাস্ক সাবান দিয়ে পরিষ্কার করে আবার ব্যবহার করা যাবে। অফিসে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। কোন কর্মচারী অসুস্থ হলে তাকে আইসোলেশন বা কোয়ারেন্টিনে রাখার ব্যবস্থা করতে হবে।

এ বিষয়ে ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জাবেদ আহমেদ জানান, পর্যটকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি প্রাধান্য দিয়ে এসওপি প্রণয়ন করা হয়েছে। পর্যটক ও পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত সবার জন্য এটি সুনির্দিষ্ট গাইডলাইন হিসেবে কাজ করবে। ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন পর্যটন সংশ্লিষ্টদের কাছে এসওপি পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, যেহেতু কোভিড-১৯ একটি আন্তর্জাতিক সমস্যা, তাই আন্তর্জাতিক মান ও নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে। পরিস্থিতির পরিবর্তন হলে নির্দেশনাগুলোতেও পরিবর্তন আনা হবে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *